বাংলার নারী শক্তির মন জিততে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্রহ্মাস্ত্র ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ এখন রাজ্য রাজনীতির প্রধান নিয়ন্ত্রক। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিটি সভা থেকে প্রচার করছে যে, এই প্রকল্প মা-বোনেদের আর্থিক স্বনির্ভরতা দিয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপি এবং বাম-কংগ্রেস জোটও এই প্রকল্প নিয়ে সরব। বিজেপি দাবি করছে, কেন্দ্রের টাকাতেই এই প্রকল্প চলছে এবং তাঁরা ক্ষমতায় এলে এই অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণ করবে। আবার বামেদের বক্তব্য, কর্মসংস্থান না দিয়ে সামান্য কিছু টাকা দিয়ে মানুষের নজর ঘোরানোর চেষ্টা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গ্রাম বাংলার মহিলা ভোটারদের মধ্যে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাই কোনো দলই সরাসরি এই প্রকল্পের বিরোধিতা করার সাহস দেখাচ্ছে না। বরং প্রতিটি পক্ষই চেষ্টা করছে কীভাবে এই প্রকল্পের কৃতিত্ব নিজেদের দিকে টানা যায় অথবা এর বিকল্প কোনো বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া যায়। বিধানসভা বা লোকসভা— যেকোনো নির্বাচনেই যে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ একটি নির্ণায়ক ফ্যাক্টর হতে চলেছে, তা স্পষ্ট। এখন দেখার, এই ভাণ্ডারের চাবিকাঠি শেষ পর্যন্ত কোন দলের হাতে ক্ষমতায় ফেরার রাস্তা খুলে দেয়।