ওড়িশার বালেশ্বরে ব্যক্তিগত কাজে গিয়ে চরম হেনস্থার শিকার হলেন পশ্চিমবঙ্গের দুই সরকারি আধিকারিক। ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকে কর্মরত দুই মাইক্রো অবজার্ভার—কৌশিক হাঁসদা ও শমীক হাজরাকে ‘ছেলেধরা’ সন্দেহে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের জলেশ্বরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আকাঙ্খা ভাস্কর জানিয়েছেন, আহতদের ফিরিয়ে আনতে ওড়িশা পুলিশের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, আগামীকালই প্রকাশিত হতে চলেছে বহুল প্রতীক্ষিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। তবে এবার তালিকায় থাকছে বড় চমক। ভোটারদের তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে: ‘অ্যাপ্রুভড’, ‘ডিলিটেড’ ও ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’। বর্তমানে রাজ্যে ৭ কোটি ৮ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকায় থাকছে। তবে প্রায় ৬০ লক্ষ নামের নথি পরীক্ষা এখনও বাকি।
কাজের বিপুল চাপ এবং জুডিশিয়াল অফিসারের ঘাটতি মেটাতে এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড থেকে আনা হচ্ছে সিভিল জজদের। তাঁরা এ রাজ্যের বর্তমান ও প্রাক্তন বিচারকদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা নথির অসঙ্গতি দূর করার কাজ করবেন। তালিকা প্রকাশের পরেও নাম সংযোজন ও সংশোধনের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।