মধ্যপ্রদেশের ধর জেলার পিথমপুরে এক অভাবনীয় ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। মঙ্গলবার দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা চলাকালীন এক নাবালিকা ছাত্রী স্কুলের শৌচালয়েই সন্তান প্রসব করে। গণিত পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই ওই ছাত্রীর পেটে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হয়। সে শৌচালয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই একটি সুস্থ সন্তানের জন্ম দেয়। বিষয়টি জানাজানি হতেই পরীক্ষা কেন্দ্রে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্কুল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি পুলিশ ও ১০৮ অ্যাম্বুল্যান্সে খবর দেয়।
বর্তমানে মা ও নবজাতক পিথমপুর কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে চিকিৎসাধীন এবং দুজনেই সুস্থ রয়েছে। পুলিশ এই ঘটনায় একটি ‘জিরো এফআইআর’ দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা গত দুই বছর ধরে এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত ছিল। সেই সম্পর্কের জেরেই সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। প্রথমে ভয় পেয়ে পরিবারের কাছে গোপন রাখলেও শারীরিক পরিবর্তন নজরে আসায় বাবা-মায়ের কাছে সবটা স্বীকার করে সে। চিকিৎসকরা গর্ভপাতের ঝুঁকি থাকায় অনুমতি না দেওয়ায় সে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই বোর্ড পরীক্ষায় বসার সিদ্ধান্ত নেয়।
পুলিশ আধিকারিক চাঁদনি সিঙ্গার জানিয়েছেন, নাবালিকার বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে পকসো (POCSO) আইন ও ধর্ষণের ধারায় মামলা রুজু করা হচ্ছে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশ দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছে। পরীক্ষার হলের মতো কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত জায়গায় এমন ঘটনায় স্তম্ভিত শিক্ষকমহল ও অভিভাবকরা।