জ্যে চাঞ্চল্যকর বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে এবার বড়সড় অগ্রগতি পেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। ষড়যন্ত্রের মূল চক্রী হিসেবে উঠে আসা শওকতের বিপদ আরও বাড়ল। ধৃত ওহিদুলের গোপন জবানবন্দি এবং বাজেয়াপ্ত ফোনের ফরেন্সিক রিপোর্টই এখন এই মামলার মোড় ঘোরানোর চাবিকাঠি বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
ওহিদুলের জবানবন্দিতেই কি বড় ফাঁদ? তদন্তকারী সূত্রে খবর, বিস্ফোরণ কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত ওহিদুলের গোপন জবানবন্দি তদন্তে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। জেরায় সে এমন কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে, যা সরাসরি আঙুল তুলছে শওকতের দিকে। এই জবানবন্দিকে ভিত্তি করেই এনআইএ এখন শওকতের ভূমিকা নিয়ে নিশ্চিত হতে চাইছে। বিশেষ করে, বিস্ফোরণের পরিকল্পনা কীভাবে হয়েছিল এবং তাতে শওকতের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী ছিল, তা নিয়েই ওহিদুলের বয়ানকে গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
ফোনের ফরেন্সিক পরীক্ষায় কী অপেক্ষা করছে? শুধু বয়ান নয়, ডিজিটাল প্রমাণের ওপরও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে এনআইএ। তদন্তের খাতিরে শওকতের মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করে তা পাঠানো হয়েছে ফরেন্সিক ল্যাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফোনের কল লিস্ট, চ্যাট হিস্ট্রি এবং ডিলিট করে দেওয়া মেসেজ থেকে এমন অনেক তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে, যা তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দেবে। এনআইএ চাইছে শওকতের নেটওয়ার্ক এবং ঘটনার দিন তার লোকেশন ট্র্যাক করতে।
বিপাকে শওকত: সূত্রের খবর, ওহিদুলের জবানবন্দি এবং ডিজিটাল প্রমাণের মধ্যে সংযোগ খুঁজে পেলেই শওকতের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এনআইএ-র একটি দল ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি নিয়ে দিল্লিতে রিপোর্ট পাঠিয়েছে।
গোটা ঘটনায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে এখন তীব্র চাঞ্চল্য। শওকতের এই আইনি জট শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামে, সেদিকেই নজর সব মহলের।





