বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রভাব এবার আছড়ে পড়ল খেলার মাঠেও। ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করতেই ওপার বাংলার ক্রিকেটে শুরু হয়েছে তুমুল ডামাডোল। একদিকে যেমন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (BCB) শীর্ষ কর্তারা তড়িঘড়ি দেশ ছাড়ছেন, অন্যদিকে নবনিযুক্ত ক্রীড়ামন্ত্রী তথা জাতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক আমিনূল হক সরাসরি ভারতের দিকে ইঙ্গিত করে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।
ক্রীড়ামন্ত্রীর বিস্ফোরক দাবি: ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করা নিয়ে সারা বিশ্বে চর্চা চলছে। এই প্রসঙ্গে আমিনূল হক জানান, “আপনারা জানেন যে কূটনৈতিক জটিলতার কারণেই আমরা বিশ্বকাপে খেলতে পারিনি। ভারতের সঙ্গে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, তা যদি আগে আলোচনা করে মিটিয়ে নেওয়া যেত, তবে আজ আমাদের ক্রিকেটাররা মাঠে থাকতেন।” তাঁর মতে, মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল খেলা নিয়ে বিবাদ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্বই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী।
বিসিবি-তে পলায়ন পর্ব: তারেক রহমান সরকার গঠন করতেই বিসিবি-র অন্দরে ‘শুদ্ধিকরণ’ অভিযানের আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সূত্রের খবর, বিসিবি-র একাধিক প্রভাবশালী কর্তা এবং শেখ হাসিনা ঘনিষ্ঠ আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই দেশ ছেড়েছেন। নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ক্রিকেটে আর কোনো রাজনীতিকরণ সহ্য করা হবে না। প্রাক্তন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান এবং মাশরাফি মোর্তাজার বিরুদ্ধে থাকা আইনি মামলাগুলিও সরকার সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।