বিতর্কিত ঐতিহাসিক স্থাপনা ‘বাবরি মসজিদ’ (Babri Masjid) নামকরণের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি এবং কঠোর আপত্তি জানাল রাজনৈতিক মহল। তাদের স্পষ্ট বক্তব্য, এই মসজিদটির নাম ‘বাবরি মসজিদ’ হওয়া উচিত নয়, কারণ বাবরকে ভারতীয় সংস্কৃতির ধ্বংসকারী হিসেবে দেখা হয়।
আপত্তিকারীদের দাবি, “বাবর ছিলেন লুটেরা, ধর্ষণকারী, তিনি ভারতীয় নন।” তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বাবর ভারতে আক্রমণ করে “ভারতের মন্দির ভেঙে-গুড়িয়ে ধর্ম পরিবর্তন করতে এসেছিলেন।”
এই বক্তব্য অনুযায়ী, বাবরকে বিদেশী আক্রমণকারী এবং বিধ্বংসী শাসক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যিনি ভারতের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কাঠামো নষ্ট করতে চেয়েছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে, তাঁর নামে কোনও স্থাপত্যের নামকরণকে তাঁর ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপকে স্বীকৃতি দেওয়ার সমতুল্য বলে মনে করা হচ্ছে।
নেতারা বলেন, “তাঁর (বাবর) নামে মসজিদ হবে, আমাদের সকলের আপত্তি আছে।” এই কঠোর অবস্থান ইঙ্গিত দেয় যে, এই ঐতিহাসিক নামকরণের পরিবর্তন না হলে সমাজে অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক বিতর্ক চলতেই থাকবে। এই বক্তব্যটি বিতর্কের পালে নতুন করে হাওয়া দিয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।