২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনের নাম ঘোষণা করে ইতিমধ্যেই ময়দানে নেমে পড়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তবে বাকি আসনগুলোর প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে এখন সাজ সাজ রব। সূত্রের খবর, বুধবার সকাল থেকেই দফায় দফায় বৈঠক করছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আজ বিকেলের মধ্যেই বহুল প্রতিক্ষিত দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতে পারে বলে জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
কেন এই বিলম্ব? বিজেপি সূত্রে খবর, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং কঠিন আসন নিয়ে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি হেভিওয়েট আসনে ‘উইনেবিলিটি’ বা জেতার ক্ষমতা কার বেশি—তা নিয়ে কাঁটাছেড়া চলছে। মোদী-শাহর নির্দেশ মেনে এবারও ‘ক্লিন ইমেজ’ ও ‘তরুণ মুখ’কে প্রাধান্য দিতে গিয়েই মূলত এই সময় লাগছে।
দিল্লিতে হাই-ভোল্টেজ বৈঠক: জানা গেছে, জে পি নাড্ডার বাসভবনে হওয়া এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন অমিত শাহ, রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তালিকায় কাদের নাম রাখা হবে এবং কাদের বাদ দেওয়া হবে, তা নিয়ে এক একটি আসন ধরে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে তৃণমূলের সদ্য ঘোষিত প্রার্থী তালিকার কথা মাথায় রেখেই বিজেপি তাদের ‘কাউন্টার স্ট্র্যাটেজি’ সাজাচ্ছে।
দ্বিতীয় তালিকায় কাদের নাম? জল্পনা রয়েছে যে, দ্বিতীয় তালিকায় উত্তরবঙ্গের বাকি আসন এবং দক্ষিণবঙ্গের মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমের বেশ কিছু আসনের প্রার্থীর নাম থাকবে। এছাড়াও বেশ কিছু পরিচিত মুখ এবং গতবারের বিজয়ী বিধায়কদের টিকিট নিশ্চিত করা নিয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজই হতে পারে।
অপেক্ষায় কর্মী-সমর্থকরা: প্রথম তালিকায় বড় বড় নাম আসার পর দ্বিতীয় তালিকা নিয়ে সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে কৌতূহল তুঙ্গে। বিশেষ করে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর নাম আসার পর কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার হেভিওয়েট প্রার্থীদের নিয়ে উৎসাহ বাড়ছে।