দীর্ঘ দেড় মাসের অবসান। নিউজ ১৮ বাংলার খবরের জেরে অবশেষে কাটল অচলাবস্থা। আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালে পুনরায় চালু হল একমাত্র ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনটি। গত ৬ নভেম্বর থেকে এই মেশিনটি খারাপ হয়ে পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন ইনডোর ও আউটডোরের রোগীরা। বারবার এই জনদুর্ভোগের খবর সম্প্রচারিত হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন, যার ফলস্বরূপ বুধবার থেকে ফের শুরু হল পরিষেবা।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, এই হাসপাতালটি পিপিপি (PPP) মডেলে পরিচালিত হয়। একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি বিকল থাকায় সাধারণ মানুষকে বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে চড়া দামে এক্স-রে করাতে হচ্ছিল। সরকারি হাসপাতালে যে পরিষেবা নামমাত্র মূল্যে বা বিনামূল্যে পাওয়া যায়, বেসরকারি ল্যাবে তার জন্যই গুনতে হচ্ছিল ৩০০ টাকা বা তার বেশি। এই সুযোগে একশ্রেণির বেসরকারি ল্যাব মুনাফা লুটছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল।
হাসপাতালের সুপার ডাঃ পরিতোষ মন্ডল বলেন, ‘মেশিনটি খারাপ থাকায় ইন্ডোর ও আউটডোর— দুই বিভাগের রোগীদেরই খুব সমস্যা হচ্ছিল। অবশেষে মেশিনটি মেরামত করে চালু করা সম্ভব হয়েছে। আমরা আনন্দিত যে রোগীদের সমস্যা দূর হল।’
শহরের বাবুপাড়ার বাসিন্দা পীযূষ মন্ডল এদিন হাসপাতালেই এক্স-রে করান। তিনি স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘বাইরে এই পরীক্ষা করতে অনেক টাকা লাগত। হাসপাতালে পরিষেবা শুরু হওয়ায় সাধারণ মানুষের অনেক সাশ্রয় হবে।’ খবরের এই প্রভাবে খুশি রোগী ও তাঁদের পরিজনেরা।