পোস্তার শিবঠাকুর লেনের বহুতল থেকে পড়ে রাজেন্দ্র ওরফে ভিকি শর্মার মৃত্যুরহস্যে নাটকীয় মোড়। প্রথম দিকে ঘটনাটিকে ‘প্রেমিকের আত্মঘাতী হওয়া’ বলে দাবি করা হলেও, শেষ পর্যন্ত বান্ধবী শিখা সিং-কেই খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করল পুলিশ। গত ১৬ ডিসেম্বরের সেই অভিশপ্ত রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে শিখার দেওয়া বয়ানে শুরু থেকেই ছিল একাধিক অসঙ্গতি। অবশেষে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং ফরেন্সিক তথ্যই শিখার মিথ্যে ধরা ফেলে দিল।
তদন্তে জানা গিয়েছে, ঘটনার রাতে ভিকির সঙ্গে শিখার প্রবল বচসা হয়। শিখা দাবি করেছিলেন, ভিকি তাঁকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে তিনতলা থেকে ঝাঁপ দিয়েছেন। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দেখা যায়, ভিকির পিঠে ও বুকে একাধিক ছুরির আঘাত রয়েছে, যা কোনোভাবেই ঝাঁপ দিয়ে পড়ার ক্ষত নয়। পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে, শিখাই তাঁকে ছুরি দিয়ে বারংবার আঘাত করেছিলেন এবং তার পরেই ভিকি নীচে পড়ে যান। ভিকির বাবার দায়ের করা খুনের মামলার ভিত্তিতে শুক্রবার শিখাকে গ্রেফতার করা হয়। পোস্তার এই ঘটনায় পরকীয়া ও সম্পর্কের টানাপোড়েনই খুনের মূল কারণ কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।