আজকাল আকাশছোঁয়া তেলের দামে পকেটে টান পড়ছে সাধারণ মানুষের। কিন্তু আপনি কি জানেন, সঠিক নিয়ম না জানার কারণে পেট্রল পাম্পে গিয়ে আপনি অজান্তেই প্রতারিত হচ্ছেন অথবা বড় কোনো বিপদের ঝুঁকি নিচ্ছেন? সাধারণ মানুষের অসাবধানতার সুযোগ নিয়ে অনেক সময় পাম্পে কারচুপি করা হয়। আবার সামান্য অবহেলায় ঘটতে পারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। তাই পেট্রল বা ডিজেল ভরার সময় এই ৫টি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন:
প্রথমত, তেল ভরার আগে পাম্পের মিটারে ‘জিরো’ (Zero) দেখে নেওয়া বাধ্যতামূলক। অনেক সময় কর্মীরা আগের গ্রাহকের রিডিং থেকেই তেল ভরা শুরু করেন, ফলে আপনি কম তেল পান। দ্বিতীয়ত, তেলের ঘনত্বের (Density) দিকে নজর দিন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, পেট্রলের ঘনত্ব ৭৩০ থেকে ৭৭০ কেজি/ঘনমিটার এবং ডিজেলের ৮২০ থেকে ৮৬০ কেজি/ঘনমিটার হওয়া উচিত। এর চেয়ে কম হলে বুঝবেন তেলের গুণমান খারাপ। তৃতীয়ত, সব সময় রাউন্ড ফিগারে (যেমন ১০০, ৫০০ বা ১০০০ টাকা) তেল না ভরে অনিয়মিত অংকে (যেমন ১১৫ বা ৫২৫ টাকা) তেল ভরুন। এতে মেশিনে আগে থেকে সেট করা চুরির ফাঁদ এড়ানো যায়।
চতুর্থ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো নিরাপত্তা। পাম্পে থাকাকালীন মোবাইল ফোন ব্যবহার বা ধূমপান করবেন না, কারণ সামান্য স্পার্ক থেকে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। পঞ্চম এবং শেষ টিপস হলো, প্রচণ্ড রোদে বা দুপুরবেলা তেল না ভরে ভোরে বা রাতে তেল ভরুন। বিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, ঠান্ডায় তেলের ঘনত্ব বেশি থাকে, ফলে ওই সময়ে একই দামে আপনি পরিমাণে কিছুটা বেশি তেল পাবেন। এই সহজ সতর্কতাগুলো মেনে চললে আপনি যেমন নিরাপদ থাকবেন, তেমনি সাশ্রয় হবে আপনার কষ্টার্জিত টাকা।