মুর্শিদাবাদের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় ফের পাক গুপ্তচর সন্দেহে গ্রেফতারির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। সোমবার রাজ্য পুলিশের এসটিএফ (STF) রঘুনাথগঞ্জ থানার তেঁতুলিয়া পঞ্চায়েতের গুধিয়া গ্রামের বাড়ি থেকে ২০ বছরের যুবক সুমন শেখকে গ্রেফতার করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভিনদেশের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখতেন এবং দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করতেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই সুমনের গতিবিধির ওপর নজর রাখছিলেন গোয়েন্দারা। এদিন আচমকাই তাঁর বাড়িতে হানা দিয়ে মোবাইল ফোন ও বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়। সুমনের এই গ্রেফতারির খবর ছড়িয়ে পড়তেই গুধিয়া গ্রামে ভিড় জমে যায়। পাড়া-প্রতিবেশীরা কার্যত হতভম্ব, কারণ সুমনের মতো একজন সাধারণ তরুণ এমন কোনো দেশবিরোধী কাজে লিপ্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা তাঁদের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, সুমনের পরিবারের দাবি, তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ। পরিবারের সদস্যদের বয়ান অনুযায়ী, সুমন কোনো ভুল কাজের সঙ্গে যুক্ত নন এবং তাঁকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। তাঁর পরিবারের এক সদস্য বলেন, “ও সারাদিন নিজের কাজেই ব্যস্ত থাকত। পুলিশ কেন এল আর ওকে নিয়ে গেল, কিছুই বুঝতে পারছি না।” তবে এসটিএফ আধিকারিকরা সুমনের মোবাইল রেকর্ড এবং সোশ্যাল মিডিয়া চ্যাট খতিয়ে দেখছেন। সীমান্তের ওপারে কাদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল, তা খুঁজে বের করাই এখন তদন্তের মূল লক্ষ্য।