প্রবল দাবদাহে জনজীবন নাজেহাল। আর গরম বাড়লেই সঙ্গী হয় ঘামাচি, চুলকানি এবং ত্বকের লালচে ভাব বা র্যাশ। ঘামাচি মূলত হয় যখন ঘাম বেরোনোর নালীগুলো বন্ধ হয়ে যায় এবং ঘাম ত্বকের নিচে আটকে থাকে। বাজারচলতি দামি পাউডার বা ক্রিম অনেক সময় খুব একটা কাজে দেয় না, উল্টে ত্বকের রোমকূপ বন্ধ করে সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। তাই এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি পেতে আপনি ভরসা রাখতে পারেন ঘরোয়া কিছু উপকরণের ওপর।
আরাম পেতে ঘরোয়া টিপস:
-
বরফের সেঁক: ঘামাচি বা র্যাশের জায়গায় বরফ কুচি একটি পাতলা সুতির কাপড়ে জড়িয়ে ১০-১৫ মিনিট ধরে সেঁক দিন। এটি ত্বকের জ্বালা কমাতে এবং চুলকানি বন্ধ করতে দারুণ কার্যকর।
-
অ্যালোভেরা জেল: অ্যালোভেরার প্রাকৃতিক অ্যান্টি-সেপটিক এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ ঘামাচি সারাতে সাহায্য করে। ফ্রেশ অ্যালোভেরা জেল সরাসরি আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।
-
চন্দন ও গোলাপ জল: চন্দন ত্বকে শীতলতা জোগায়। ২ চামচ চন্দন গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট ঘামাচির ওপর লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, তারপর ধুয়ে ফেলুন।
-
নিম পাতার রস: চুলকানি খুব বেশি হলে নিম পাতা সেদ্ধ করা জলে স্নান করতে পারেন অথবা নিম পাতা বাটা ত্বকে লাগাতে পারেন। এটি ত্বকের যেকোনো সংক্রমণ রোধ করে।
-
বেকিং সোডা: এক কাপ ঠান্ডা জলে এক চামচ বেকিং সোডা মেশান। সেই জলে একটি কাপড় ভিজিয়ে আক্রান্ত স্থানে চেপে ধরুন। এটি ত্বকের রোমকূপ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
সতর্কতা: গরমে ঘামাচি এড়াতে সর্বদা ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরুন। শরীর ঠান্ডা রাখতে প্রচুর পরিমাণে জল এবং মরসুমি ফল খান। ঘামাচি নখ দিয়ে চুলকাবেন না, এতে ইনফেকশন হওয়ার ভয় থাকে।