বিশ্ব রাজনীতির আঙিনায় ভারত এখন এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি। জওহরলাল নেহরুর হাত ধরে শুরু হওয়া সেই যাত্রাপথ আজ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। ভারতের এই দীর্ঘ রাজনৈতিক বিবর্তনের সাক্ষী হয়ে রইল বিশ্বের ১৯টি দেশের সংসদ, যেখানে দাঁড়িয়ে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীরা তুলে ধরেছেন দেশের কণ্ঠস্বর।
ভারত আজ কেবল একটি উন্নয়নশীল দেশ নয়, বরং দশম থেকে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির শক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই অর্থনৈতিক উত্তরণ বিশ্বমঞ্চে ভারতের দর বাড়িয়েছে বহুগুণ। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারতের অবস্থান হয়েছে আরও জোরালো।
ইতিহাসের নতুন মাইলফলক: ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক অনন্য নজির স্থাপন করেন। প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দুবার ভাষণ দেওয়ার বিরল সম্মান অর্জন করেন। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পর তিনিই দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নেতা, যাকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এই গণতন্ত্রের পীঠস্থানে একাধিকবার ভাষণ দেওয়ার এই বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
নেহরুর আমলের পররাষ্ট্রনীতি থেকে শুরু করে বর্তমানের ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর নেতৃত্ব দেওয়া ভারতের এই পথচলা ছিল বন্ধুর ও চ্যালেঞ্জিং। অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল বিপ্লবের মাধ্যমে ভারত আজ বিশ্বের মানচিত্রে নিজের গুরুত্ব নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে। ১৯টি বিদেশি সংসদে দেওয়া ভাষণগুলো কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এক নতুন ভারতের উত্থানের আখ্যান—যা বিশ্বকে বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, একবিংশ শতাব্দী ভারতের।





