নদীয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস গ্রাম পঞ্চায়েতের হালদারপাড়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে বাড়ি তৈরির অভিযোগ ঘিরে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত গোপাল সরকার পেশায় তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত। অভিযোগ, নিজের পাট্টা পাওয়া জমি থাকা সত্ত্বেও তিনি সরকারি বাংলা আবাস যোজনার ঘরটি বানাচ্ছেন খোদ চলাচলের রাস্তার ওপর।
বিজেপি পরিচালিত এই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বিজলী সরদারকে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানান গ্রামবাসী পরিমল বিশ্বাস। অভিযোগের গুরুত্ব বুঝে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ গোপাল সরকারকে ডেকে নির্দেশ দেয় যে, তিনি যেন তাঁর পাট্টা পাওয়া এক শতক জায়গাতেই ঘর করেন, কোনোভাবেই রাস্তা দখল করা যাবে না। কিন্তু অভিযোগ, রবিবার পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে গোপালবাবু ফের রাস্তার ওপরেই নির্মাণের কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ বন্ধ করে দেয় এবং তাঁকে রাস্তার জায়গা ছেড়ে ঘর করার নির্দেশ দেয়।
এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, শাসকদলের ছত্রছায়ায় থাকার কারণেই এমন দুঃসাহস দেখাচ্ছেন ওই ব্যক্তি। রাস্তার ওপর ঘর হলে গ্রামের মানুষের যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে, এই আশঙ্কায় গ্রামবাসীরা দলবদ্ধভাবে ‘মার্চ পিটিশন’ জমা দিয়েছেন। স্থানীয় তৃণমূল নেতা গণেশ বিশ্বাস রাস্তার কথা স্বীকার করে নিলেও বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করেন। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা অমৃত বিশ্বাস এবং প্রধান বিজলী সরদার স্পষ্ট জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের রাস্তা কোনোভাবেই দখল করতে দেওয়া হবে না। এ নিয়ে বিএলআরও-র কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছে।