রেশন ব্যবস্থায় দুর্নীতি রুখতে এবার আরও কড়া অবস্থানে রাজ্য খাদ্য দপ্তর। অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পরই নড়েচড়ে বসল দপ্তর। বৃহস্পতিবার এই ইস্যুতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেশন দুর্নীতি বা অনিয়ম নিয়ে সরকার কোনোভাবেই আপস করবে না।
মন্ত্রী কী বলেছেন? খাদ্যমন্ত্রী এদিন সরাসরি বলেন, “দুর্নীতি নিয়ে আমাদের সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি মেনে চলছে। রেশনে আটা বন্টন ও মানের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ামাত্রই আমরা বড় পদক্ষেপ নিয়েছি। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু এলাকায় আটা বিক্রি আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
কেন এই কড়া সিদ্ধান্ত? সাম্প্রতিক সময়ে রেশনে দেওয়া আটার মান এবং বিতরণের ক্ষেত্রে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। অভিযোগ ছিল, সঠিক ওজনের আটা পাওয়া যাচ্ছে না এবং ডিলারদের একাংশ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে। সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়ে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দপ্তরের অন্দরমহল সূত্রে খবর।
দপ্তরের পরবর্তী পদক্ষেপ: মন্ত্রী জানিয়েছেন, শুধু আটা বিক্রি বন্ধ করাই নয়, গোটা ব্যবস্থার ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
তদন্তের নির্দেশ: অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হতে পারে।
ডিলারদের হুঁশিয়ারি: কোনো ডিলার যদি সরকারি নির্দেশ অমান্য করেন, তবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিকল্প ব্যবস্থা: আটার মান উন্নত করা এবং বন্টন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার এই কড়া বার্তা যে রেশন ডিলার এবং দুর্নীতিতে যুক্ত চক্রের ওপর চাপ তৈরি করবে, তা বলাই বাহুল্য। সাধারণ মানুষের স্বার্থে আগামী দিনে এই দুর্নীতি বিরোধী লড়াই কতটা সফল হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
খাদ্য দপ্তরের এই নতুন নীতি বা রেশন ব্যবস্থার পরিবর্তন নিয়ে কি আপনি আরও বিস্তারিত কোনো তথ্য জানতে চান?





