রাজ্যের আসন্ন নির্বাচনী আবহে ফের একবার তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক ময়দান। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তোলা হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে যেসব এলাকায় তৃণমূল সাংগঠনিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, ঠিক সেইসব বুথগুলিকেই টার্গেট করে পুনর্নির্বাচনের চক্রান্ত করা হচ্ছে। শাসক দলের মতে, এটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়, বরং বিরোধীদের একটি পরিকল্পিত চাল।
তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের দাবি, জনমত যখন উন্নয়নের পক্ষে, তখন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং ভোটারদের বিভ্রান্ত করতেই এই ধরনের ‘পুনর্নির্বাচন’-এর পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। দলের এক মুখপাত্র আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, “যেসব এলাকায় আমাদের জয় নিশ্চিত এবং যেখানে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে জোড়াফুলে ভোট দিয়েছেন, সেখানেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গোলমালের অজুহাত দেখিয়ে ফের ভোটের দাবি তোলা হচ্ছে।” তাঁদের অভিযোগের আঙুল মূলত বিরোধী দল এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সমন্বয়ের দিকে।
অন্যদিকে, এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে বিরোধী শিবির। তাদের পাল্টা দাবি, যেখানেই ছাপ্পা ভোট বা বুথ দখলের অভিযোগ উঠেছে, সেখানেই নিয়ম মেনে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছে। তবে তৃণমূলের অন্দরে এই নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে। বুথ স্তরের কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কোনোভাবেই বিরোধীরা মিথ্যে অজুহাত খাড়া করতে না পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের লড়াই শেষ পর্যন্ত ভোটের ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।