তামিলনাড়ু বিধানসভার বছরের প্রথম অধিবেশন ঘিরেই রাজভবন ও শাসকদল ডিএমকে (DMK)-র মধ্যে সংঘাত চূড়ান্ত রূপ নিল। মঙ্গলবার প্রথাগত ভাষণ পাঠ করতে অস্বীকার করে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান রাজ্যপাল আরএন রবি। তাঁর অভিযোগ, বিধানসভার ভেতরে বারবার তাঁর মাইক্রোফোন বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছিল এবং জাতীয় সঙ্গীতকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি।
অধিবেশন শুরু হতেই স্পিকার এম. আপ্পাভু রাজ্যপালকে অনুরোধ করেন যেন তিনি সরকার অনুমোদিত বয়ানটিই পাঠ করেন। স্পিকার স্পষ্ট জানান, সংসদে কেবল নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারেন। এর প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যপাল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে আমার বক্তব্য বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।” কিছুক্ষণ পরেই তিনি ভাষণ না দিয়ে কক্ষত্যাগ করেন।
পরবর্তীতে লোকভবন (রাজভবন) থেকে একটি কড়া বিবৃতি জারি করে জানানো হয়, তামিলনাড়ু সরকারের ১২ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ আকর্ষণের দাবি পুরোপুরি মিথ্যা। অনেক সমঝোতা স্মারক কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, রাজ্যে দলিতদের ওপর অত্যাচার এবং দলিত মহিলাদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা দ্রুত বাড়ছে, অথচ সরকার এই বিষয়ে নীরব। এই ঘটনায় তামিলনাড়ুর প্রশাসনিক ও সাংবিধানিক কাঠামোয় এক বড়সড় ফাটল প্রকাশ্যে এসেছে।