রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ডিএ বকেয়া (DA Arrears) মেটানো নিয়ে সরকারের সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া ডিএ দুটি কিস্তিতে মেটানোর কথা জানানো হলেও, সরকারের বেঁধে দেওয়া একগুচ্ছ শর্তে ক্ষুব্ধ কর্মচারীদের বড় অংশ। তাঁদের অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ মেনে বকেয়া মেটানোর বদলে সরকার কৌশলে টাকা আটকে রাখতে চাইছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রুপ এ, বি এবং সি কর্মীদের বকেয়া টাকার একাংশ সরাসরি হাতে না দিয়ে জিপিএফ-এ (GPF) জমা রাখা হবে, যা নির্দিষ্ট সময়ের আগে তোলা যাবে না। শুধুমাত্র গ্রুপ ডি কর্মী ও পেনশনভোগীরা সরাসরি অ্যাকাউন্টে টাকা পাবেন। এই বিভাজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারী সংগঠনগুলি। এছাড়া ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বিশাল বকেয়া মেটানোর বিষয়ে সরকারের অস্পষ্ট অবস্থান ধোঁয়াশা আরও বাড়িয়েছে। সংগঠনের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, পুরো বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার দাবিতে তাঁরা ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন। অন্যদিকে, সরকারের যুক্তি—আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণেই কিস্তিতে এই বকেয়া মেটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।