চলন্ত ট্রেনের এসি ফার্স্ট ক্লাস কামরার দরজা আটকে এক এনসিসি (NCC) ক্যাডেটকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল এক টিটিই-র (TTE) বিরুদ্ধে। রেলের এই উচ্চপদস্থ কর্মীর এমন ঘৃণ্য আচরণে রেল নিরাপত্তা নিয়ে ফের বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। অভিযোগকারিনী ওই তরুণী এনসিসি-র পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় টিকিট পরীক্ষার নাম করে ওই টিটিই তাঁকে একা পেয়ে কামরার ভেতর হেনস্থা করে বলে অভিযোগ।
ভুক্তভোগী তরুণী জানিয়েছেন, ট্রেনে ওঠার পর তাঁর কাছে বৈধ টিকিট ছিল না বা আসন নিশ্চিত ছিল না। তিনি যখন টিটিই-র কাছে টিকিটের বিষয়ে জানতে চান, তখন অভিযুক্ত টিটিই তাঁকে এসি ফার্স্ট ক্লাস বগিতে একটি খালি আসন দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। ওই তরুণী সরল বিশ্বাসে তাঁর সঙ্গে ফার্স্ট ক্লাস কেবিনে যান। সেখানে ঢোকা মাত্রই অভিযুক্ত টিটিই ভেতর থেকে দরজার ছিটকিনি আটকে দেয় এবং তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
বিপদে পড়ে ওই তরুণী চিৎকার শুরু করলে এবং বাধা দিলে অভিযুক্ত ঘাবড়ে যায়। কোনোমতে সেখান থেকে পালিয়ে এসে রেল পুলিশের (GRP) দ্বারস্থ হন ওই এনসিসি ক্যাডেট। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে অভিযুক্ত টিটিই-কে আটক করা হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ধরনের ঘটনায় তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। দেশের ট্রেনের সংরক্ষিত কামরাতেও যদি মহিলারা সুরক্ষিত না থাকেন, তবে সাধারণ যাত্রীরা কোথায় যাবেন—এই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।