গত কয়েক ঘণ্টার প্রবল ঝড়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘরবাড়ি ভেঙে পড়া থেকে শুরু করে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির খবর আসছে একের পর এক এলাকা থেকে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নবান্নে জরুরি বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গত মানুষজনের পাশে দাঁড়াতে সরকার সব ধরণের সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে আজ একগুচ্ছ ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করলেন।
নবান্নের বিশেষ ঘোষণা:
তৎকালিন সহায়তা: মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঝড়ে যাদের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাঁদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করতে।
ফসলের ক্ষতি: কৃষকদের জন্য বিশেষ ত্রাণ প্যাকেজের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে ঝড়ে নষ্ট হওয়া ফসলের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নেওয়া যায়।
জরুরি পরিষেবা: বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং গাছ পড়ে যে সমস্ত রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে আছে, তা দ্রুত পরিষ্কার করার জন্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী নবান্ন থেকে বার্তা দিয়েছেন, “প্রকৃতির এই দুর্যোগে সরকার মানুষের পাশে আছে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের ২৪ ঘণ্টা নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে দ্রুত উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।”
ঝড়-বৃষ্টির পর জেলাগুলোতে এখন ক্ষয়ক্ষতির হিসাব কষছে প্রশাসন। বিরোধীদের তরফেও এই কঠিন পরিস্থিতিতে ত্রাণ বণ্টন নিয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। আপাতত সব জেলা প্রশাসনের মূল লক্ষ্য—বিপদগ্রস্ত মানুষগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরিয়ে আনা এবং জীবনযাত্রাকে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরানো।





