পশ্চিম এশিয়ার আকাশ এখন বারুদের গন্ধে ভারী। ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল জোটের সংঘাত ১৪ দিনে পা রাখল। শুক্রবার ইরানের অজ্ঞাত স্থান থেকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে একের পর এক ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়া হয়েছে। এটি ছিল যুদ্ধের ১৪ দিনের মাথায় ইরানের ৪৪তম দফার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।
কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সৌদি আরব, জর্ডান এবং ইসরায়েলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো এই হামলার নিশানায় ছিল। পুরো অঞ্চলজুড়ে সাইরেন বেজে উঠেছে এবং পাল্টা হিসেবে সক্রিয় হয়েছে উন্নত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। ইরানের সামরিক কমান্ড ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’-এর মুখপাত্র সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো বা বন্দরে আঘাত হানলে তারা পুরো অঞ্চলের তেল ও গ্যাস শিল্পে “আগুন ধরিয়ে দেবে”, যা বিশ্ববাজারে বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্রুত জয়ের ইঙ্গিত দিলেও রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি ভিন্ন কথা বলছে। ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারি জানি ট্রাম্পের মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়ে বলেছেন, “যুদ্ধ শুরু করা সহজ, কিন্তু কয়েকটি টুইট করে তা জেতা যায় না। যুক্তরাষ্ট্র তাদের ভুলের জন্য অনুতপ্ত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে।” উভয় পক্ষই এখন মরণকামড় দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। আন্তর্জাতিক মহলের আশঙ্কা, এই সংঘাত এখনই নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে তা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।