পাহাড়ের শিক্ষক নিয়োগ ঘিরে চলা দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ে এবার বড়সড় মোড়। জিটিএ (GTA) শিক্ষক নিয়োগ মামলার জটিলতা কাটাতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়া মামলাটি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা পাহাড়ের শিক্ষক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।
সম্প্রতি সরকারের এই অবস্থান স্পষ্ট হওয়ার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, যারা বর্তমানে এই প্রকল্পের আওতায় কর্মরত, তাঁদের ভবিষ্যৎ কী? রাজ্য সরকারের এই পিছুটান কি পাহাড়ের সেই বিশেষ শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আইনত দুর্বল করে দিল?
কারা রয়েছেন শ্যেন নজরে? তদন্তকারী ও আইনি মহলের মতে, মূলত সেই সমস্ত প্রার্থীদের উপরই এখন মূল নজর থাকবে, যাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গরমিল বা নিয়ম বহির্ভূত কোনো বিষয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিনের জট হয়তো খুলবে, কিন্তু তার মাশুল কি গুনতে হবে এই নিয়োগের আওতায় থাকা শিক্ষকদের?
রাজনৈতিক মহলের মতে, পাহাড়ের জটিল সমীকরণের কথা মাথায় রেখেই রাজ্য সরকার সম্ভবত নিজেকে সরিয়ে নিয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে চাইছে। কিন্তু সরকারের এই পদক্ষেপে অনেক শিক্ষকের চাকরিই এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পাহাড়ে অশান্তি এড়াতে সরকার কি অন্য কোনো বিকল্প পথ খুঁজছে, নাকি আইন নিজের গতিতে চলবে—সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। সব মিলিয়ে, জিটিএ-র এই শিক্ষক নিয়োগ কাণ্ড নিয়ে চূড়ান্ত উদ্বেগের প্রহর গুনছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার।





