জলপাইগুড়ি শহরের কলেজ পাড়া এলাকার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলার পর কার্ড মেশিনে আটকে যাওয়া এবং তার জেরেই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগী ব্যক্তির অভিযোগ, কার্ড আটকে থাকার সুযোগ নিয়ে অ্যাকাউন্ট থেকে অজান্তেই গায়েব হয়ে গেছে আরও ২,৫০০ টাকা।
ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, সম্প্রতি বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ তিনি ওই এটিএম বুথ থেকে প্রথমে ৯,০০০ টাকা তোলেন। লেনদেন সম্পন্ন হলেও মেশিন থেকে কার্ডটি বের হয়নি। অনেক চেষ্টা করেও কার্ড বের করতে না পেরে তিনি বাড়ি ফিরে ব্যাংকে যোগাযোগ করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ব্যাংকে পাশবুক আপডেট করতে গিয়েই তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে আরও ২,৫০০ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।
ক্ষতিপূরণ চেয়ে থানায় অভিযোগ:
ভুক্তভোগী ব্যক্তির সন্দেহ, কেউ বা কারা আটকে থাকা কার্ডটি ব্যবহার করে এই টাকা তুলে নিয়েছে। ঘটনার পরই তিনি কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, “কার্ডটি যাতে ব্যাংক দ্রুত ব্লক করে দেয় এবং আমার টাকা কারা তুলল তা তদন্ত করে বের করা হোক। সেই সঙ্গে যেন আমি ক্ষতিপূরণ পাই, সেই ব্যবস্থাও নেওয়া হোক।”
নাগরিকদের দাবি নিরাপত্তা বৃদ্ধি:
এই ঘটনায় এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক এটিএম বুথেই নিরাপত্তারক্ষী (সিকিউরিটি গার্ড) থাকে না, যার ফলে দুষ্কৃতীরা ‘কার্ড-ট্র্যাপিং’ যন্ত্র বসিয়ে প্রতারণা করার সুযোগ পায়। নাগরিক মহলের মতে, এটিএম বুথে নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।