দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা প্রদানের অনুষ্ঠানে সোমবার আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী রইল রাষ্ট্রপতি ভবন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পদ্মসম্মান গ্রহণ করলেন দেশবরেণ্য ব্যক্তিত্বরা। এদিনের অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ছিল প্রয়াত অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর ‘মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ’ এবং টলিউড সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ‘পদ্মশ্রী’ সম্মান গ্রহণ।
আবেগঘন মুহূর্ত: গত ২৪ নভেম্বর প্রয়াত হয়েছেন বলিউডের ‘হি-ম্যান’ ধর্মেন্দ্র। এদিন তাঁর মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মান তুলে দেওয়া হয় স্ত্রী হেমা মালিনীর হাতে। মঞ্চে আবেগাপ্লুত হেমা মালিনীকে দেখে দর্শকাসনে বসে থাকা কন্যা এষা দেওলকে কাঁদতে দেখা যায়, যা মুহূর্তের মধ্যে ক্যামেরাবন্দি হয়।
বাংলার মুকুটে নতুন পালক: এদিন বাঙালিবাবু সাজে—ঘিয়ে রঙের ধুতি-পাঞ্জাবিতে রাষ্ট্রপতি ভবনে নজর কাড়েন টলিউডের সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। চার দশকেরও বেশি সময়ের বর্ণময় অভিনয় জীবনে ‘উনিশে এপ্রিল’, ‘দোসর’ থেকে ‘২২ শ্রাবণ’-এর মতো অসংখ্য কালজয়ী সিনেমার জন্য তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হলো। প্রসেনজিৎ ছাড়াও বাংলার আরও ১০ জন ব্যক্তিত্ব, যার মধ্যে প্রয়াত নাট্যব্যক্তিত্ব হরিমাধব মুখোপাধ্যায় (মরণোত্তর) ও দলিত সাহিত্যিক অশোককুমার হালদার রয়েছেন, পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছেন।
কারা পেলেন বড় সম্মান? এ বছর মোট ১৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী অলকা ইয়াগনিক এবং দক্ষিণী সুপারস্টার মামুট্টি। এছাড়া ক্রীড়াজগতে অসামান্য অবদানের জন্য পদ্মশ্রী পেয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের দুই নক্ষত্র—রোহিত শর্মা ও হরমনপ্রীত কউর।
উল্লেখ্য, পদ্মবিভূষণ ও পদ্মভূষণের তালিকায় এবারের তালিকায় বাংলার কোনো প্রতিনিধির নাম না থাকলেও, পদ্মশ্রী বিভাগে বাংলার মোট ১১ জনের উপস্থিতি রাজ্যের জন্য বড় গর্বের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।





