২০২৬ সালে ভারতে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের আশঙ্কায় উদ্বেগে আবহাওয়াবিদরা। এল নিনোর প্রভাবে বর্ষার মরসুমে বৃষ্টির ঘাটতির সম্ভাবনা প্রায় ৬০ শতাংশ। কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির ওপর এর বিরূপ প্রভাব নিয়ে আশঙ্কা থাকলেও, বাজারের একাংশ দেখছে অন্য সম্ভাবনা। বিনিয়োগকারীদের মতে, এই পরিস্থিতি কিছু নির্দিষ্ট শিল্পের জন্য হতে পারে ‘সুবর্ণ সুযোগ’।
সাধারণত বৃষ্টির ঘাটতিতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং সেচের জন্য পাম্পের ব্যবহার বেড়ে যায়। ফলে বিদ্যুৎ চাহিদা আকাশছোঁয়া হয়ে ওঠে। এই বাড়তি চাহিদা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণকারী সংস্থাগুলোর আয় বাড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে গ্রীষ্মের দাবদাহে এয়ার কন্ডিশনার, কুলার ও ফ্যানের মতো কুলিং অ্যাপ্লায়েন্সের চাহিদাও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। বাজার বিশেষজ্ঞরা একে বলছেন ‘সামার প্লে’। অর্থাৎ, যে সব কোম্পানি সরাসরি গরমের চাহিদার ওপর নির্ভরশীল, তাদের শেয়ারে বিনিয়োগের হিড়িক বাড়তে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, বৃষ্টির ঘাটতি কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেললে তা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে। তবুও, মাঝারি মাত্রার ঘাটতি বিদ্যুৎ ও ইলেকট্রনিক্স খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য বড় আয়ের উৎস হয়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রবল।