খামেনেই খতম! আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?

একবিংশ শতাব্দীর সবথেকে বড় সামরিক ও রাজনৈতিক বিস্ফোরণটি ঘটে গেল মধ্যপ্রাচ্যে। দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে খোদ ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে, ইজরায়েল ও আমেরিকার এক বিধ্বংসী যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এই চাঞ্চল্যকর খবরটি প্রকাশ্যে আসার পরই কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে গোটা বিশ্ব। তেহরানের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই দেশে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টের মাধ্যমে। ট্রাম্প দাবি করেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও ইজরায়েলি আইডিএফ-এর একটি অত্যন্ত গোপন ও সুনির্দিষ্ট অভিযানে খামেনেইকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। কিছুক্ষণ পরেই ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলে খামেনেই-র মৃত্যুর খবর প্রচার করা হলে জল্পনা সত্যি বলে প্রমাণিত হয়। যদিও রহস্য বাড়িয়ে খামেনেই-র সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে একটি পোস্ট দেখা গিয়েছিল, তবে গোয়েন্দাদের মতে সেটি ছিল নিছকই বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা।

এই হত্যাকাণ্ডের পর মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই অপারেশনকে “ন্যায়বিচারের জয়” বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) চরম প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। হিজবুল্লাহ এবং হুথিরা ইতিমধ্যেই ইজরায়েলের ওপর পাল্টা হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই ঘটনার ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ভারতসহ বিশ্বের সমস্ত দেশ এই মুহূর্তে পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy