আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর প্রয়াণের পর ইরান এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। শনিবারের মার্কিন-ইজরায়েলি যৌথ হামলার পর তেহরান যখন ফুটছে, ঠিক তখনই দেশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও সামরিক শক্তি বজায় রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন নেতার নাম ঘোষণা করা হলো। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী এবং উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর আলরিজা আরিফ (Mohammad Reza Aref)-কে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ এই রাজনীতিবিদ এখন ইরান সরকারের প্রধান মুখ হিসেবে কাজ করবেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পরই আলরিজা আরিফ এক কড়া বার্তা দিয়েছেন বিশ্ববাসীকে। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, “খামেনেইর রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। আমরা এই কাপুরুষোচিত হামলার বদলা নেবই।” ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) ইতিমধ্যেই তাদের মিসাইল ইউনিটগুলোকে ‘ফুল অ্যালার্ট’-এ রেখেছে। আরিফের নেতৃত্বে ইরান এখন তাদের সামরিক রণকৌশল নতুন করে সাজাচ্ছে, যা পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের মেঘ আরও ঘন করে তুলেছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, আলরিজা আরিফ একজন বিচক্ষণ নেতা হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি চরমপন্থি পথেই হাঁটতে পারেন। খামেনেইর মৃত্যুতে সারা দেশে যে আবেগের জোয়ার তৈরি হয়েছে, তাকে কাজে লাগিয়ে ইরান বড় ধরনের সামরিক প্রত্যাঘাত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। হিজবুল্লাহ এবং হামাস ইতিমধ্যেই নতুন নেতার প্রতি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করেছে। এখন দেখার বিষয়, আরিফের নেতৃত্বে ইরান ঠিক কবে এবং কীভাবে তাদের প্রতিশ্রুত ‘ন্যায়বিচার’ আদায় করে।