ফের একবার উত্তরবঙ্গ সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিল বিএসএফ। শুক্রবার রাতের অন্ধকারে কোচবিহার জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করার সময় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (BSF) হাতে ধরা পড়ল এক বাংলাদেশি নাগরিক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় সাময়িক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
ঠিক কী ঘটেছিল?
বিএসএফ সূত্রে খবর, কোচবিহারের একটি নির্দিষ্ট বিওপি (BOP) এলাকায় টহল দেওয়ার সময় জওয়ানরা লক্ষ্য করেন, সীমান্তের ওপার থেকে এক ব্যক্তি সন্দেহজনকভাবে কাঁটাতারের দিকে এগিয়ে আসছে। এলাকাটি ঘন কুয়াশা বা অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পার হওয়ার চেষ্টা করছিল সে। জওয়ানরা তাকে সতর্ক করলে সে পালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু তত্পর বিএসএফ কর্মীরা তাকে ধাওয়া করে পাকড়াও করেন।
তদন্ত ও জেরা
ধৃত ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো বৈধ পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ধৃত ব্যক্তি বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম বা লালমনিরহাট জেলার বাসিন্দা (তদন্ত সাপেক্ষে)। সে কেন ভারতে ঢুকছিল— কাজের খোঁজে নাকি এর পেছনে অন্য কোনো বড় পাচারচক্র বা নাশকতামূলক ছক রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন বিএসএফ আধিকারিকরা।
বিএসএফ-এর কড়া অবস্থান
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএসএফ-এর এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, “সীমান্তে অনুপ্রবেশ এবং পাচার রুখতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলছি। ধৃতকে স্থানীয় পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।”
উপসংহার
কোচবিহারের বিস্তীর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে গরু পাচার এবং অনুপ্রবেশ রুখতে বিএসএফ-এর এই সক্রিয়তা স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে স্বস্তি ফিরিয়েছে। পুলিশ ও বিএসএফ যৌথভাবে তদন্ত করছে যে, ভারতের দিকে কারা তাকে সাহায্য করছিল।





