বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়োগ নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে যে উত্তাপ তৈরি হয়েছে, তা এবার গড়াল কলকাতা হাইকোর্টের দরজায়। বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসুর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের দায়ের করা একটি মামলায় সওয়াল করতে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে পৌঁছান। এর আগে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় আইনজীবী হিসেবে আদালতে লড়াই করেছিলেন তিনি। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী, তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়কের সংখ্যা ৬৭-৬৮ তে গিয়ে ঠেকেছে, যা শাসকদলের অন্দরে বড়সড় ভাঙনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এদিকে, কালীঘাটে দলীয় বিধায়কদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন যে, দিল্লির বিজেপি সরকারকে শীঘ্রই ক্ষমতাচ্যুত করা হবে। দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সংকল্প করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সততা নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানান। তিনি বলেন, ক্যামেরায় টাকা নিতে দেখা যাওয়া ব্যক্তিকে মুখ্যমন্ত্রী বানানো হয়েছে, যা রাজ্যের দুর্ভাগ্য। অভিষেক সাফ জানিয়েছেন, সরকারি এজেন্সি বা বাড়ি ভাঙার হুমকিতে তিনি দমবেন না। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই চলবে। সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর দাঁড়িয়ে তৃণমূলের দাবি, সরকারি যন্ত্রের অপব্যবহার করে বিরোধী দলনেতা নিয়োগের চেষ্টা চলছে। রাজনীতির এই টানাপোড়েন এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।





