তিলোত্তমায় কি বড়সড় নাশকতার ছক কষছিল জঙ্গিরা? সোমবার কলকাতা পুলিশের এসটিএফ-এর হাতে লস্কর-ই-তৈবার এক সন্দেহভাজন হ্যান্ডলার গ্রেফতার হতেই এই প্রশ্ন ঘনীভূত হয়েছে। গোয়েন্দাদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দাঁড়িয়ে লস্করের একটি সক্রিয় মডিউল পরিচালনা করছিল ধৃত ব্যক্তি। তার মূল লক্ষ্য ছিল কলকাতার জনবহুল এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ভবনগুলোতে বড়সড় আঘাত হানা।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ধৃত হ্যান্ডলার দীর্ঘ সময় ধরে পাক-যোগাযোগ বজায় রেখে রাজ্যে স্লিপার সেল তৈরির কাজ চালাচ্ছিল। তল্লাশিতে তার কাছ থেকে বেশ কিছু ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং সন্দেহজনক নথি উদ্ধার হয়েছে, যা দেখে অফিসারদের অনুমান— নাশকতার ব্লু-প্রিন্ট বা নকশা ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল। ধৃত ব্যক্তি লস্করের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখত বলে জানা গেছে।
রাজ্য পুলিশের এসটিএফ এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। এই মডিউলে আর কারা জড়িত এবং রাজ্যের কোথায় কোথায় জঙ্গিরা ডেরা বেঁধেছে, তা খুঁজে বের করাই এখন চ্যালেঞ্জ। এই গ্রেফতারির পর তিলোত্তমার নিরাপত্তা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রেল স্টেশন, বিমানবন্দর এবং শপিং মলগুলোতে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, বড় কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি বা উৎসবের আগে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা ছিল এই জঙ্গি মডিউলের।