রাজ্যের ওষুধ বাজারে কি থাবা বসিয়েছে কোনো বড়সড় চক্র? ওড়িশা থেকে ইনজেকশন চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে একের পর এক ওষুধের দোকানে ব্যাচ নম্বরে মারাত্মক গরমিল খুঁজে পেলেন রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোলারের আধিকারিকরা। এই ঘটনায় বিন্দুমাত্র রেয়াত না করে অভিযুক্ত দোকানদারদের ইতিমধ্যেই শোকজ (Showcause) করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে খবর, সন্তোষজনক উত্তর না মিললে স্থায়ীভাবে বাতিল হতে পারে ওই সমস্ত দোকানের লাইসেন্স।
তদন্তে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে জীবনদায়ী ওষুধের আসল স্ট্রিপের বদলে অন্য ব্যাচ নম্বরের ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে, যা রোগীদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ওড়িশা থেকে নিখোঁজ হওয়া ইনজেকশনগুলোই কি কোনোভাবে এই পদ্ধতিতে বাজারে ঢোকানো হচ্ছে? সেই সন্দেহ দানা বাঁধছে গোয়েন্দাদের মনে। চুরির ঘটনার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে ওষুধের ডিস্ট্রিবিউশন চেনে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে।
রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেললে কাউকে ছাড়া হবে না। প্রতিটি ওষুধের দোকানে স্টক রেজিস্টার এবং ব্যাচ নম্বর মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি কোনো বিক্রেতা সঠিক বিল বা সোর্স দেখাতে না পারেন, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করারও প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।