২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই ফের একবার ‘বাম-রাম’ আঁতাঁতের অভিযোগে সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, সিপিআইএম-এর নিচুতলার কর্মীরা সশরীরে দলে না গিয়ে তলে তলে বিজেপিকে ভোট দিয়ে আসছেন। এই ‘ভোটবদল’-এর রাজনীতির কারণেই রাজ্যে পদ্ম শিবিরের শক্তিবৃদ্ধি হয়েছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
কুণাল ঘোষের মতে, রাজ্যের অনেক জায়গায় সিপিআইএম-এর ঝান্ডা ধরা লোকগুলোই আসলে রাতের অন্ধকারে বিজেপির হয়ে কাজ করে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন বামেদের ভোটব্যাঙ্ক ক্রমশ কমছে আর বিজেপির ভোট বাড়ছে? কুণালের ভাষায়, “যারা আজ সিপিআইএম-এর হয়ে মিছিল করছে, তারাই বুথে গিয়ে বিজেপির বোতাম টিপছে।” দলবদল না করেও কেবল ভোট ট্রান্সফার করে তৃণমূলকে আটকানোর এই কৌশলকে তিনি বাংলার গণতন্ত্রের জন্য ‘বিপজ্জনক’ বলে তকমা দিয়েছেন।
তৃণমূল নেতার এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে তর্কের সৃষ্টি করেছে। কুণাল সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে, বামেদের একাংশ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার বদলে তৃণমূলের বিরোধিতা করতেই বিজেপিকে অক্সিজেন দিচ্ছে। তবে সিপিআইএম নেতৃত্ব এই অভিযোগকে হাতাশাগ্রস্ত মন্তব্য বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের পাল্টা দাবি, তৃণমূলের অপশাসন থেকে বাঁচতেই মানুষ বিকল্প খুঁজছে। ভোটের আগে কুণাল ঘোষের এই ‘ভোটবদল’ তত্ত্ব শাসক-বিরোধী তরজাকে আরও উসকে দিল।