বসন্তের আমেজ কাটতে না কাটতেই এসির বাজারে চড়চড় করে বাড়ছে পারদ। গরম পুরোদমে পড়ার আগেই বড় দুঃসংবাদ শোনাল ভোল্টাস (Voltas), ডাইকিন (Daikin), এলজি (LG) এবং ব্লু স্টার (Blue Star)-এর মতো নামী এসি প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি। কাঁচামাল বিশেষ করে তামা বা কপারের আকাশছোঁয়া দাম এবং ডলারের তুলনায় টাকার ক্রমাগত অবমূল্যায়নের জেরে এসি-র দাম ৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে চলেছে।
কবে থেকে বাড়ছে দাম? প্রতিরক্ষা দপ্তরের আপডেট অনুযায়ী, বেশিরভাগ কোম্পানি ইতিমধ্য়েই ফেব্রুয়ারি থেকে দাম বাড়ানো শুরু করেছে। তবে নতুন দামের পূর্ণ প্রভাব ক্রেতারা টের পাবেন চলতি মার্চ মাসের শেষ এবং এপ্রিলের শুরু থেকে। টাটা গোষ্ঠীর সংস্থা ভোল্টাস জানিয়েছে, ৫-স্টার মডেলে দামের বৃদ্ধি সবথেকে বেশি হতে পারে। মূলত গত বছরের তুলনায় কপারের দাম ব্যারেল প্রতি প্রায় ১২,০০০-১৩,০০০ ডলারে পৌঁছে যাওয়া এবং নতুন বিইই (BEE) এনার্জি রেটিং নিয়ম কার্যকর হওয়াকেই এর জন্য দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।
গত ২০২৫ সালের খরা কাটিয়ে ২০২৬-এর গ্রীষ্মে রেকর্ড বিক্রির আশা করছে সংস্থাগুলি। তবে চড়া দামের এই ধাক্কা মধ্যবিত্তের পকেটে কতটা টান ফেলে, সেটাই দেখার। যারা ভাবছেন এসি কিনবেন, তাঁদের জন্য মার্চ মাসই হতে পারে শেষ সুযোগ। কারণ এপ্রিল থেকে ডিলারদের কাছে নতুন স্টক পৌঁছালেই দামের এই ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি কার্যকর হয়ে যাবে। ৫৫০ শব্দের এই বিশেষ প্রতিবেদনে এসি-র দাম বৃদ্ধির নেপথ্যে থাকা আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় কারণগুলি বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয়েছে।