দেশে এলপিজি গ্যাস সরবরাহ নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মাঝেই বড়সড় আশ্বাস দিল কেন্দ্রীয় সরকার। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ও হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতার ফলে বাজারে গ্যাসের দামে বড় প্রভাব পড়েছে। নয়ডা, দিল্লি, মুম্বই এবং কলকাতার মতো বড় শহরগুলিতে সিলিন্ডারের কালোবাজারি ও দাম বৃদ্ধির জেরে ছোট দোকান, ধাবা এবং রেস্তোরাঁগুলি ভয়াবহ সঙ্কটের মুখে পড়েছে। এর ফলে গিগ কর্মীদের কর্মসংস্থান ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে:
বুকিংয়ের সময়সীমা বৃদ্ধি: অতিরিক্ত বুকিং ও মজুতদারি রুখতে সিলিন্ডার বুকিংয়ের ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে।
অগ্রাধিকার: গৃহস্থালি ব্যবহারের পাশাপাশি হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে গ্যাস সরবরাহে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
মূল্য নিয়ন্ত্রণ: ভর্তুকি বজায় রেখে গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কেন্দ্র। বর্তমানে দিল্লিতে ঘরোয়া সিলিন্ডারের দাম ৯১৩ টাকা।
বিকল্প ব্যবস্থা: আমদানির জন্য নতুন রুট ও বিকল্প উৎস খোঁজা হচ্ছে। দেশীয় এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি স্পষ্ট জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। অযথা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত গ্যাস বুক করার প্রয়োজন নেই, কারণ সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে ‘এসেনশিয়াল কমোডিটিস অ্যাক্ট’ প্রয়োগের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।