পশ্চিমবঙ্গের উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহে এবার নতুন মাত্রা যোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সফর ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের রেশ টেনেই শুভেন্দু দাবি করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সংবিধানের ‘এবিসিডি’ (ABCD) শেখাতে এবার বাংলায় আসছেন কেন্দ্রীয় নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। শুভেন্দুর মতে, রাজ্য সরকার যেভাবে বারবার সাংবিধানিক মর্যাদা লঙ্ঘন করছে, তার যোগ্য জবাব দিতেই বিজেপির এই রণকৌশল।
রবিবার এক সভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সংবিধান মানেন না, দেশের রাষ্ট্রপতিকে সম্মান দিতে জানেন না। তাই রবিশঙ্কর প্রসাদজি আসছেন তাঁকে সংবিধানের পাঠ দিতে। এবারের নির্বাচন গতানুগতিক হবে না, হবে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক।” বিরোধী দলনেতার দাবি, ২০২৬-এর ভোট হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং সংবিধান রক্ষার লড়াই। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, রাজভবন ও নবান্নের এই সংঘাত কেবল রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, এটি দিল্লির নজরেও রয়েছে।
বিজেপি সূত্রের খবর, রবিশঙ্কর প্রসাদের এই সফরের মূল লক্ষ্য হবে রাজ্যের বুদ্ধিজীবী মহল এবং সাধারণ মানুষের কাছে তৃণমূল সরকারের ‘অসাংবিধানিক’ কাজকর্মগুলি তুলে ধরা। শুভেন্দুর এই মন্তব্যের পালটা দিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বাইরের নেতা এনে বাংলাকে ভয় দেখানো যাবে না। তবে ভোটের আগে রবিশঙ্কর প্রসাদের মতো হেভিওয়েট নেতার আগমন যে বঙ্গ রাজনীতিতে বাড়তি উত্তাপ ছড়াবে, তা বলাই বাহুল্য। ৫৫০ শব্দের এই বিশেষ প্রতিবেদনে শুভেন্দুর আক্রমণ এবং আগামীর রাজনৈতিক সমীকরণ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।





