কুখ্যাত মার্কিন কোটিপতি জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের খবর নিয়ে দীর্ঘদিনের নীরবতা ভাঙলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন রাজনীতিতে অত্যন্ত স্পর্শকাতর এই বিষয় নিয়ে মুখ খুলে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এপস্টিনের কোনও অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে তাঁর বিন্দুমাত্র সম্পর্ক ছিল না। নিজেকে ‘সম্পূর্ণ নির্দোষ’ বলে দাবি করে ট্রাম্প জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর নাম এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
বিতর্কের সূত্রপাত: দীর্ঘ সময় ধরে অভিযোগ উঠছিল যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প কুখ্যাত যৌন অপরাধী এপস্টিনের ঘনিষ্ঠ মহলের অংশ ছিলেন। বিশেষ করে এপস্টিনের ব্যক্তিগত বিমানে ট্রাম্পের সফরের তথ্য সামনে আসার পর থেকেই জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। তবে ট্রাম্পের দাবি, তাঁর মতো অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিই এপস্টিনকে চিনতেন, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তাঁরা এপস্টিনের অন্ধকার জগতের অংশ ছিলেন। ট্রাম্প পাল্টা আক্রমণ করে জানান, তদন্তকারী সংস্থাগুলি তাঁর বিরুদ্ধে কোনও তথ্যপ্রমাণ পায়নি এবং তিনি এই মামলা থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি পেয়েছেন বা ‘এক্সোনোরেটেড’ হয়েছেন।
রাজনৈতিক লড়াই: ২০২৬-এর নির্বাচনী আবহে ট্রাম্পের এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, বিরোধীরা বারবার এই পুরনো ইস্যু খুঁচিয়ে তুলে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইছে। ট্রাম্পের আইনজীবী দলও জানিয়েছে যে, এপস্টিন সংক্রান্ত যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখা হয়েছে এবং সেখানে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কোনও আপত্তিকর প্রমাণ মেলেনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলির একাংশ একে ট্রাম্পের ‘ভিক্ট্রি কার্ড’ হিসেবে দেখছে, কারণ তিনি দাবি করেছেন যে আদালত বা তদন্তকারী কোনও সংস্থাই তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারেনি।