এনডিএ-তে যোগ দিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা! এবার কি বিধায়কদের পালা? মুখ খুললেন ঋতব্রত

তৃণমূলের অন্দরে অস্থিরতার পারদ তুঙ্গে। দলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের এনডিএ-কে সমর্থনের ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে—এবার কি পালা বিধায়কদের? এই প্রেক্ষাপটে এবার নীরবতা ভাঙলেন বিদ্রোহী নেতা এবং বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

কী বললেন ঋতব্রত? সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সাংসদরা তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমাদের দলের বিধায়কদের মধ্যেও চরম ক্ষোভ রয়েছে। তৃণমূলের জনবিরোধী নীতি এবং অগণতান্ত্রিক কর্মপদ্ধতির বিরুদ্ধে রাজ্যের বিধায়করাও খুব শীঘ্রই সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন।” ঋতব্রতর এই মন্তব্য পরিষ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, কেবল সংসদীয় স্তরেই নয়, বিধানসভার অন্দরেও মমতার সরকার বড়সড় ভাঙনের মুখে।

বিধায়কদের পরবর্তী রণকৌশল: ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় যদিও সরাসরি কোনো বিধায়কের নাম উল্লেখ করেননি, তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দলের একাংশ বিধায়ক ইতিমধ্যেই বিরোধী জোটের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছেন। তৃণমূলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত এই বিধায়করা খুব শীঘ্রই নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন।

মমতার মাথাব্যথা: শাসকদলের জন্য এটি এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। একদিকে সাংসদদের বিদ্রোহ, অন্যদিকে ঋতব্রতর দাবি অনুযায়ী বিধায়কদের একাংশের ‘সুর বদল’—সব মিলিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে এখন প্রবল জল্পনা শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, তৃণমূলের অন্দরে চলা এই বিশৃঙ্খলাই শেষ পর্যন্ত সরকারের পতনের কারণ হতে পারে।

এখন দেখার বিষয়, ১৮ জুনের বিধানসভা অধিবেশনের আগে তৃণমূল নেতৃত্ব এই বিদ্রোহ সামলাতে কোনো মাস্টারস্ট্রোক দিতে পারে কি না, নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথামতো আরও বড় কোনো রাজনৈতিক ভূমিকম্প অপেক্ষা করছে রাজ্যের জন্য।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy