বাংলায় এসআইআর (SIR) বা ভোটার তালিকার বিশেষ পর্যালোচনার কাজ শেষ পর্যায়ে, কিন্তু নথিপত্র খতিয়ে দেখতে গিয়ে পিলে চমকানো তথ্য উঠে আসছে অবজার্ভারদের হাতে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বাড়তি এক সপ্তাহ সময় নিয়ে যখন ‘সুপার চেকিং’ চলছে, তখনই সামনে এল অদ্ভুত সব কারসাজি।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এক ব্যক্তির নথিতে দেখা গিয়েছে ‘ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট’। খোদ দুঁদে আধিকারিকরাও আকাশ থেকে পড়েছেন এই নাম শুনে। রক্ত সম্পর্কের প্রমাণের জন্য বার্থ সার্টিফিকেট বা লিগ্যাসি ডেটা থাকলেও, এই রহস্যময় সার্টিফিকেটের আইনি বৈধতা নিয়ে উঠছে বড়সড় প্রশ্ন।
জালিয়াতির বহর এখানেই শেষ নয়। মেটিয়াবুরুজে দেখা গিয়েছে, ১০ জন ভোটারের বাবার নাম একই—আব্দুল হায়। নথিতে দেখা যাচ্ছে, দুই সন্তানের বয়সের ফারাক মাত্র ২৭ দিন! কোথাও আবার শিশু জন্মানোর আগেই তার বার্থ সার্টিফিকেট ইস্যু করে দেওয়া হয়েছে। ভাই-বোনের বয়সের ব্যবধান মাত্র এক মাস হওয়ার মতো অসম্ভব সব তথ্যও জমা পড়েছে তালিকায় নাম তোলার জন্য। এই চাঞ্চল্যকর অসঙ্গতি ধরা পড়ার পর কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে প্রশাসন। স্বচ্ছ তালিকা প্রকাশ করতে প্রতিটি সন্দেহভাজন ফর্ম ফের খতিয়ে দেখা হচ্ছে।