মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বিশ্বজুড়ে যখন জ্বালানি সংকটের কালো মেঘ ঘনিয়ে আসছে, তখন দেশবাসীর জন্য বড় স্বস্তির খবর শোনাল কেন্দ্রীয় সরকার। ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের (Crude Oil) দাম আকাশছোঁয়া হলেও, ভারতে আপাতত পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ছে না। আজ, ১ এপ্রিল ২০২৬, কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে যে, দেশে আগামী অন্তত দুই মাসের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এক বার্তায় স্পষ্ট করেছেন যে, ভারতের কৌশলগত তেলের ভাণ্ডার (Strategic Reserves) এবং তেল সংস্থাগুলোর কাছে থাকা মজুত মিলিয়ে আগামী প্রায় ৭৪ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব। গত ২৭ মার্চ সরকার পেট্রোল ও ডিজেলে লিটার প্রতি ১০ টাকা আবগারি শুল্ক (Excise Duty) কমানোর যে সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তার সুফল পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বর্তমানে দিল্লিতে পেট্রোল ৯৪.৭৭ টাকা এবং ডিজেল ৮৭.৬৭ টাকায় স্থির রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড ১২০ ডলার ছাড়িয়ে গেলেও ভারত রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি এবং দেশীয় মজুতের ওপর ভর করে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে। যদিও জেট ফুয়েল বা এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের (ATF) দাম রেকর্ড বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত পেট্রোল ও ডিজেলকে এই মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে রক্ষা করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। জ্বালানি নিয়ে কোনো গুজব বা আতঙ্কে কান না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র।





