আসলে না নকল? দোকানদারের QR কোড আপনাকে ফকির বানাবে না তো? স্ক্যান করার আগে সাবধান!

ডিজিটাল ইন্ডিয়ার যুগে এখন পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করার চেয়ে স্মার্টফোন বের করে QR কোড স্ক্যান করা অনেক বেশি সহজ। চা-এর দোকান থেকে বড় শপিং মল— সর্বত্রই ঝুলছে ডিজিটাল পেমেন্টের এই কিউআর কোড। কিন্তু সুবিধার আড়ালে ওত পেতে রয়েছে ভয়ঙ্কর বিপদ। আপনি কি জানেন, আপনার অজান্তেই কোনো জালিয়াতি চক্র আসল কিউআর কোডের ওপর নকল স্টিকার বসিয়ে আপনার কষ্টার্জিত টাকা হাতিয়ে নিতে পারে? একে বলা হচ্ছে ‘কিউআর কোড টেম্পারিং’ বা ‘কুয়িশিং’ (Quishing)।

সম্প্রতি সাইবার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, জালিয়াতি করার জন্য প্রতারকরা ভিড় এলাকায় থাকা দোকানের আসল কিউআর কোডের ওপর অত্যন্ত নিপুণভাবে তাদের নিজস্ব অ্যাকাউন্টের কিউআর কোড বসিয়ে দিচ্ছে। আপনি যখন স্ক্যান করছেন, টাকা দোকানদারের বদলে চলে যাচ্ছে হ্যাকারের পকেটে। এই জালিয়াতি থেকে বাঁচার প্রধান উপায় হলো স্ক্যান করার পর স্ক্রিনে আসা নাম ভালো করে মিলিয়ে দেখা। অনেক সময় হ্যাকাররা দোকানের নামের সাথে মিল রেখে ফেক নাম সেট করে রাখে।

দ্বিতীয়ত, পেমেন্ট অ্যাপের ভেতরে থাকা নিরাপত্তা বলয় ব্যবহার করুন। কোনো কিউআর কোড স্ক্যান করার পর যদি সেটি আপনাকে কোনো থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট বা সন্দেহজনক লিঙ্কে নিয়ে যায়, তবে সাথে সাথে পেমেন্ট বন্ধ করুন। মনে রাখবেন, টাকা পাওয়ার জন্য বা রিসিভ করার জন্য কখনো কিউআর কোড স্ক্যান করতে হয় না বা পিন দিতে হয় না। এটি শুধুমাত্র টাকা পাঠানোর মাধ্যম। কোনো অচেনা ব্যক্তি যদি আপনাকে টাকা পাঠানোর নাম করে কিউআর কোড স্ক্যান করতে বলে, তবে বুঝবেন সেটি নিশ্চিত জালিয়াতি।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy