গর্ভাবস্থার খবর পাওয়ার পর থেকেই হবু মায়েদের মনে নানা কৌতূহল উঁকি দেয়। বিশেষ করে সন্তান যদি যমজ হয়, তবে আনন্দের মাত্রা বেড়ে যায় বহুগুণ। সাধারণত আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষার মাধ্যমেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়, কিন্তু শরীরের কিছু নির্দিষ্ট পরিবর্তন দেখেও আগেভাগে একটা ইঙ্গিত পাওয়া সম্ভব। চিকিৎসকদের মতে, যমজ সন্তান থাকলে হবু মায়ের শরীরে হরমোনের প্রভাব অনেক বেশি প্রকট হয়।
কীভাবে বুঝবেন?
প্রবল ক্লান্তি: একটি সন্তানের তুলনায় যমজ সন্তান গর্ভে থাকলে হবু মা অনেক বেশি ক্লান্তি ও অবসাদ অনুভব করেন। শরীরের শক্তি যেন নিমেষেই ফুরিয়ে যায়।
তীব্র মর্নিং সিকনেস: সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বমি বমি ভাব বা শারীরিক অস্বস্তি যমজ গর্ভাবস্থায় অনেক বেশি হয়। গর্ভাবস্থার প্রথম কয়েক মাস এই সমস্যা অত্যন্ত ভোগায়।
দ্রুত ওজন বৃদ্ধি: গর্ভাবস্থার প্রাথমিক স্তরেই যদি অস্বাভাবিক হারে ওজন বাড়তে শুরু করে, তবে তা যমজ সন্তানের ইঙ্গিত হতে পারে।
পেটের আকার: সাধারণ গর্ভাবস্থার তুলনায় যমজ সন্তানের ক্ষেত্রে পেটের আকার দ্রুত বড় হয়। জরায়ুর প্রসারণও হয় অনেক বেশি।
এইচসিজি (hCG) লেভেল: রক্ত পরীক্ষায় যদি এইচসিজি হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি পাওয়া যায়, তবে চিকিৎসক যমজ সন্তানের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেন।
তবে মনে রাখবেন, এই লক্ষণগুলি কেবল ইঙ্গিত মাত্র। নিশ্চিত হওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ এবং আল্ট্রাসাউন্ড করানোই একমাত্র সঠিক উপায়।