মানুষের ব্যক্তিগত জীবন এবং শয্যাসঙ্গীর সংখ্যা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। সম্প্রতি এক বৈশ্বিক গবেষণায় নারী ও পুরুষদের যৌন আচরণ এবং সঙ্গীর সংখ্যা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। দীর্ঘকালীন এই সমীক্ষায় দেখা গেছে, পরিসংখ্যানের বিচারে পুরুষরা সাধারণত নারীদের তুলনায় বেশি সংখ্যক শয্যাসঙ্গীর কথা দাবি করেন। তবে গবেষকরা বলছেন, এই তথ্যের পেছনে সামাজিক মনস্তত্ত্ব একটি বড় ভূমিকা পালন করে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, অনেক পুরুষ সামাজিক শ্রেষ্ঠত্ব বা পুরুষত্ব জাহির করতে সঙ্গীর সংখ্যা বাড়িয়ে বলেন। অন্যদিকে, নারীরা সামাজিক লোকলজ্জার ভয়ে অনেক সময় প্রকৃত সংখ্যা গোপন করেন বা কমিয়ে বলেন। তবে আধুনিক সময়ে এই ব্যবধান ক্রমশ কমছে। বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোতে এবং শহুরে জীবনে নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই সঙ্গীর সংখ্যায় খুব একটা বড় পার্থক্য দেখা যাচ্ছে না। মূলত শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গিই নির্ধারণ করে দিচ্ছে কার জীবনে শয্যাসঙ্গীর সংখ্যা কত হবে। গবেষণার এই ফলাফলটি বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।





