আমরা অনেকেই তৈলাক্ত ত্বক বা ‘অয়েলি স্কিন’ নিয়ে বিরক্ত থাকি। ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস আর সারাদিন মুখে চটচটে ভাবের কারণে অনেকেই ভাবেন এটি হয়তো ত্বকের বড় কোনো সমস্যা। কিন্তু চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, তৈলাক্ত ত্বকের এমন কিছু প্রাকৃতিক গুণ রয়েছে যা অন্য কোনো ধরণের ত্বকে নেই। যাঁদের ত্বক শুষ্ক বা সাধারণ, তাঁরা এই সুবিধাগুলো না পেয়ে উল্টো পস্তাতে পারেন।
তৈলাক্ত ত্বকের অবিশ্বাস্য উপকারিতা:
বার্ধক্য রুখে দেয়: তৈলাক্ত ত্বকে প্রাকৃতিকভাবেই ‘সিবাম’ বা তেল উৎপন্ন হয়, যা ত্বককে আর্দ্র রাখে। ফলে শুষ্ক ত্বকের তুলনায় তৈলাক্ত ত্বকে বলিরেখা বা বয়সের ছাপ অনেক দেরিতে পড়ে। আপনি অনেকদিন পর্যন্ত তরুণ দেখাবেন।
প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন: ত্বকের প্রাকৃতিক তেল বা সিবামে থাকে ভিটামিন-ই। এটি সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে এক ধরণের ঢাল হিসেবে কাজ করে।
সিল্কি ও উজ্জ্বল ভাব: তৈলাক্ত ত্বকে সবসময় একটি স্বাভাবিক জেল্লা বা গ্লো থাকে। আপনাকে আলাদা করে হাইলাইটার বা দামী ময়েশ্চারাইজার মেখে উজ্জ্বলতা ফুটিয়ে তুলতে হয় না।
পরিবেশের দূষণ থেকে সুরক্ষা: ত্বকের উপরের তেলের স্তরটি ধুলোবালি ও বিষাক্ত পদার্থ সরাসরি ত্বকের গভীরে ঢুকতে বাধা দেয়।





