গরম গরম খাবার খেতে আমরা সকলেই ভালোবাসি। কিন্তু পুষ্টিবিদরাও বারবার সতর্ক করে থাকেন ঠাণ্ডা খাবার খাওয়া থেকে। কারণ, ঠাণ্ডা খাবার শুধু স্বাদহীনই নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত ক্ষতিকারক হতে পারে। নিয়মিত ঠাণ্ডা খাবার খেলে তা পেটের সমস্যা থেকে শুরু করে খাদ্যে বিষক্রিয়া পর্যন্ত ঘটাতে পারে। চলুন জেনে নিই, কোন খাবারগুলো ভুলেও ঠাণ্ডা খাওয়া উচিত নয়।
কেন ঠাণ্ডা খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
ঠাণ্ডা খাবার হজম হতে বেশি সময় নেয় এবং পেটে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে, যেমন – ব্লোটিং, পেট ফাঁপা, ফোলাভাব ইত্যাদি। কিছু নির্দিষ্ট খাবার ঠাণ্ডা হলে তার গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায় এবং সেগুলো জীবাণু সংক্রমণের কারণ হতে পারে।
যেসব খাবার ঠাণ্ডা করে খাওয়া একেবারেই উচিত নয়:
পিৎজা: পিৎজা ঠান্ডা হলে তার আসল স্বাদ যেমন নষ্ট হয়, তেমনই তা স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো নয়। পিৎজার চিজ এবং টপিং বাতাসে থাকা ব্যাকটেরিয়াকে দ্রুত আকর্ষণ করে। এছাড়াও, ঠান্ডা পিৎজা হজম করা বেশ কঠিন।
ভাত: ঠান্ডা ভাত খাওয়া মানে নিজের অজান্তেই শরীরে বিষ ঢোকানো! ঠান্ডা ভাত থেকে খাদ্যে বিষক্রিয়া (ফুড পয়জনিং) এবং পেটে ইনফেকশন হতে পারে। তাই leftover ভাত ফ্রিজে রাখলে গরম করে তবেই খান।
ভাজা খাবার: সিঙাড়া, চপ, পকোড়া বা যেকোনো তেলে ভাজা খাবার শুধুমাত্র গরম গরম খেতেই ভালো লাগে। ঠান্ডা হলে এগুলো তাদের মুচমুচে ভাব হারিয়ে ফেলে এবং নরম হয়ে যায়, যা খেতে মোটেও সুস্বাদু লাগে না।
ডিম দিয়ে তৈরি খাবার: ডিমের কারি, ডিমের ঝুরো বা ডিম দিয়ে তৈরি যেকোনো খাবার ঠান্ডা করে খাওয়া উচিত নয়। ঠান্ডা হলে ডিমের পদগুলো সতেজতা হারিয়ে ফেলে এবং রাবারের মতো হয়ে যায়। এছাড়াও, এগুলো তাদের পুষ্টিগুণও হারায়।
পাস্তা: ইতালীয় খাবার পাস্তাও ঠান্ডা অবস্থায় খাওয়া উচিত নয়। পাস্তায় প্রচুর সস ও চিজ ব্যবহার করা হয়, যা ঠান্ডা হয়ে গেলে একেবারেই ভালো লাগে না। পাস্তায় ব্যবহৃত স্টার্চ ঠান্ডা হলে শক্ত হয়ে যায়, যার ফলে এই খাবার হজম করতে সমস্যা হয়।