শিশু যদি বেশি ঘুমায় তবে দুশ্চিন্তা করবেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর জন্য বেশি ঘুমই দরকারি। প্রথম এক বছরে শিশু দৈনিক ১৭ থেকে ২০ ঘণ্টা ঘুমায়। ৪-১২ মাস বয়সী শিশুর দৈনিক ১২-১৬ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন।
এক-তিন বছর বয়সী শিশুর প্রয়োজন ১১-১৪ ঘণ্টা ঘুম। শিশুর বয়স যদি তিন-পাঁচ বছর হয় তবে তার দৈনিক অন্তত ১০-১৩ ঘণ্টা এবং ছয়-১২ বছর বয়সী শিশুর ৯-১২ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি।
কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে প্রতি রাতে অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম অবশ্যই প্রয়োজন। বয়ঃসন্ধির সময়টাতে অনেকে দেরিতে ঘুমানোর অভ্যাস করে থাকে। আবার সকালে যেহেতু বিদ্যালয়ে যেতে হয় তাই ঘুম পূর্ণ হওয়ার সময় পায় না। এর ফলে তারা ঘুমের ঘাটতিতে থাকে। যে কারণে তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর পড়ে নেতিবাচক প্রভাব।
টিনএজদের মধ্যে অনেকের রাত জাগার প্রবণতা থাকার করণে চোখের নিচে কালি বা ফোলাভাব দেখা যায়। ঘুম ভালো না হওয়াতে খাবারের প্রতিও তাদের অরুচি চলে আসে। যে কারণে বিঘ্ন ঘটে হজম প্রক্রিয়ায়ও। এর সামগ্রিক প্রভাব পড়ে তাদের স্বাস্থ্যে। ফলে তারা কম বয়সেই ভুগতে থাকে নানা ধরনের অসুখে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতে দেরিতে ঘুমানো বা পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব কোনো ভালো অভ্যাস নয়। কারণ এর অসংখ্য ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে মানুষের শরীরে। তাই তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত ঘুমই সবচেয়ে ভালো অভ্যাস। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে তাই প্রতি রাতে অন্তত সাত-আট ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।