ঈর্ষাকাতর প্রেমিককে সামলে নিন ৭ উপায়ে, জানুন সহজ টিপস

এমন অনেক মানুষ খুঁজে পাবেন যাদের সঙ্গী খুব ঈর্ষাকাতর। এর জন্য ঝামেলাও পোহাতে হয় খুব। কারো কারো জীবনই তছনছ হয়ে যায়। সম্পর্ক শুরু হলেও সম্পর্কের শেষটা সুন্দর হয় না।

এ ধরনের অবস্থায় খুব কম মানুষই টিকে থাকতে পারে। কিন্তু আপনি যদি এই অবস্থাতেও সম্পর্ক চালিয়ে যেতে চান, তাহলে কিছু উপায়ে এটি সামলাতে পারেন। পড়ে নিন কিভাবে?
১. অস্বীকার করবেন না

প্রথম কথা হলো, আপনার প্রেমিক যেমন সেভাবেই তাকে গ্রহণ করতে হবে। এই ধরনের সঙ্গী নিয়ে নানা খারাপ অবস্থায় পড়তে পারেন। সেটা মেনে নিতে হবে। তাই কিছু বিষয় নিয়ে অযথা ঝগড়া করবেন না। এই ঝগড়ার কোনো ফলাফল নেই। তবে তাকে বলতে ভুলবেন না যে, এটা করা ঠিক হয়নি এভাবে করা উচিত ছিল। মোট কথা তার ভুলটা ধরিয়ে দিন সুন্দরভাবে।

২. কথা শুনুন

সাবাই সবার সাথে সহজেই কথা বলতে পারে। আমরা সবার কথাই শুনি। হাসি বা কষ্ট দুটোই অনুভব করি কথা শুনে। কিন্তু নিজেকে অন্যের জায়গায় দাঁড় না করালে বোঝাটা কঠিন। সঙ্গীর সাথে কথা বলুন। তার জায়গায় নিজেকে আনুন। বের করার চেষ্টা করুন কেন এমন হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পারলে আপনার জন্যও ভালো হবে।

৩. ছেড়ে যাওয়া

এটা খুবই সঠিক সিদ্ধান্ত হবে সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসা। নিজের মূল্য না থাকলে বের হয়ে আসাই ঠিক। অথবা আপনার সঙ্গীকে বলতে পারেন, যেহেতু আমাদের সম্পর্কে সন্দেহ জিনিসটা চলে আসছে তাই আলাদা হওয়াই ভালো। দেখুন আপনার প্রেমিক কী উত্তর দেন। দরকার হলে তাকে সময় ধরিয়ে দিন।

৪. সৎ থাকা

প্রেমিকের কাছ থেকে কিছুই লুকাবেন না। লুকালেই তার মনে সন্দেহের দানা আরো বেশি হবে। শতভাগ নিজেকে তার কাছে পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন।

৫. যোগাযোগ

ঝগড়া বা বিতর্ক মোটেও আপনাকে এই অবস্থা থেকে বের করে আনবে না। ঈর্ষাকাতর প্রেমিকরা সবসময় আগের অবস্থার লেজ টেনে নিয়ে আসেন। সব বিষয়ে যদি ঝগড়া করেন তাহলে সে উল্টো বিগড়ে যেতে পারে।

৬. সীমানা নির্ধারণ করুন

সম্পর্কে একটি সীমানা নির্ধারণ করে দিন। এটা প্রত্যেক সম্পর্কে থাকা জরুরি। এটা নিজেদের মধ্যে সম্মানটাও তৈরি করে দেয়। ঈর্ষা নিয়েও যদি সেই সীমানা অতিক্রম না করে তাহলে দুজনের জন্যই ভালো।

৭. প্রশংসা করা

তার প্রশংসা করুন। তার কাজে উৎসাহ দিন। তাকে বোঝান তাকে আপনি কী পরিমাণ ভালোবাসেন। তাকে মূল্য দেন। তাহলে হয়ত একটু পরিবর্তন দেখতে পারেন।

Related Posts

© 2025 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy