OMG! পেটের মেদ ঝরবে তরতরিয়ে! সপ্তাহে অন্তত একবার যদি এই খাবারগুলো পাতে পড়ে

পেটের মেদ বা ভুঁড়ি কমানোর জন্য সাধারণত নানা কৌশল অবলম্বন করা হয়। কিন্তু তাতেও যদি মেদ না-কমে, তা-হলে আর হতাশার শেষ থাকে না! অনেক সময় নানা উপায় অবলম্বন করলেও কাজের কাজ কিছুই হয় না! তবে আজ আমরা এমন কিছু খাবারের হদিশ দেব, যা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সহায়ক। শুধু তা-ই নয়, ওই সব খাবার সাপ্তাহিক খাদ্যতালিকায় অনায়াসে যোগ করা যাবে। আসলে এই সব খাবারগুলি সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি ফাইবার ও প্রোটিনে সমৃদ্ধ। আর এসব খেলে পেটও অনেকক্ষণ ভরা থাকে। তা-হলে দেখে নেওয়া যাক, সেই সব খাবারের তালিকা।

চিয়া সিড:

আমরা কম-বেশি প্রায় সকলেই জানি যে, চিয়া সীড ওজন কমাতে সহায়ক। আসলে ওজন কমানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ফাইবার। আর চিয়া সীড ফাইবারে সমৃদ্ধ। তাই প্রতিদিন যদি ২ টেবিল-চামচ চিয়া সীড খাওয়া হয়, তা-হলে রোজকার ফাইবারের চাহিদার ৪০ শতাংশ পূরণ হয়। চিয়া সীড ভিজিয়ে খাওয়া হলে পেট অনেক ক্ষণ ভর্তি থাকে, সেই সঙ্গে শরীরও হাইড্রেটেড থাকে। তাই ক্যালোরির পরিমাণ কমিয়ে মাঝেমধ্যে চিয়া সীড খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে। স্যালাডে অল্প করে চিয়া সীড ছড়িয়ে খেলে শরীর এনার্জিতে ভরপুর থাকবে।

ডিম:

ওজন কমানোর জন্য সবথেকে ভাল বিকল্প হল ডিম। যা পকেটের উপর তেমন চাপও ফেলবে না। কারণ ডিম প্রায় সমস্ত রকম নিউট্রিয়েন্টে ঠাসা। আসলে ডিমের কুসুমে থাকে কোলিন এবং ভিটামিন ডি-এর মতো উপাদান। এ-ছাড়াও এক-একটি ডিমের সাদা অংশে থাকে প্রায় ৪ থেকে ৬ গ্রাম প্রোটিন। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে ডিম খাওয়া হলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তাই সীমিত পরিমাণে ডিম খাওয়া বাঞ্ছনীয়। আর ডিম খেলে অনেক ক্ষণ পেট ভর্তি থাকে। ফলে ওজনও থাকে ঠিকঠাক।

ওয়ালনাট বা আখরোট:

মুচমুচে আখরোট ভীষণই পুষ্টিকর। আর এটা এনার্জির দুর্দান্ত একটা উৎস। তাই যখনই খিদে পাবে, তখন বার্গার কিংবা চিপসের পরিবর্তে কয়েকটা আখরোট মুখে পুরে নিতে হবে। এটা স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকসের কাজ করে। বহু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, আখরোট মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে। ফলে খিদে এবং ক্রেভিংও নিয়ন্ত্রণে থাকে। এমনকী খাবার বা স্যালাডে বাদামজাতীয় ফ্লেভার যোগ করতে অল্প আখরোট ছড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে।

দই:

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার দইও অনেক ক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারবার খিদেও পায় না। আর স্বাস্থ্য ভাল রাখার পাশাপাশি এটা ওজন হ্রাস-বৃদ্ধিও অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। সবথেকে বড় কথা দই ভীষণই সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর। এতে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন এবং অন্ত্রের জন্য ভাল ব্যাকটেরিয়া।

মাছ:

প্রোটিনের দারুন উৎস মাছ। প্রোটিনে ভরপুর এই খাবার ওজন কমাতেও সহায়ক। আসলে প্রোটিনে ভরপুর মাছ খেলে পেট ভর্তি থাকে। যাঁরা হাই প্রোটিন অথচ লো-ক্যালোরি ডায়েট অভ্যাস করতে চান, তাঁদের জন্য মাছ একটা দারুন বিকল্প।

পপকর্ন:

মেদ ঝরানোর ক্ষেত্রে স্ন্যাকস জাতীয় খাবার নৈব নৈব চ! তবে ওজন কমানোর জন্য স্ন্যাকস জাতীয় খাবার খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে না। সে-ক্ষেত্রে পপকর্ন কিন্তু দারুন বিকল্প। অনেকেই হয় তো জানেন না যে, পপকর্ন কিন্তু ওজন কমানোর জন্য সহায়ক। আসলে পপকর্নে রয়েছে ভাল পরিমাণে ফাইবার। যার ফলে পেট অনেক ক্ষণ ভরা থাকে। ২ কাপ পপকর্ন ডায়েটে যোগ করলে দেহে ফাইবারের চাহিদা পূরণ হয়।

Related Posts

© 2025 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy