হাঁচি কিছুতেই থামছে না? এই সহজ রাস্তায় থামানো যাবে

ঠান্ডা লেগে. সর্দি হয়ে হাঁচি হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু যাদের ধুলো-বালি থেকে অ্যালার্জির ধাত রয়েছে তাদের হাঁচির প্রাদুর্ভাব বেশি করে দেখা যায়। রাস্তাঘাটে, যেখানে-সেখানে আচমকা হাঁচি শুরু হয়ে যাওয়া খুবই অস্বস্তিকর ব্যপার। জেনে নিন হাঁচি রোধ করার কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায়।

১) ভিটামিন সি-
নিয়মিত এবন খাবার খান যার মধ্যে ভিটামিন সি রয়েছে।
পাততিলেবু, কমলালেবু, আঙুর প্রচুর পরিমাণে খান।
ঘন ঘন হাঁচির সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে ভিটামিন সি খুবই কার্যকরী।
হার্বাল চায়ের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে

২) গোলমরিচ-
অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদান সমৃদ্ধ হওয়ায় গোলমরিচ বিভিন্ন প্রকারের শ্বসনতন্ত্রের সমস্যা মোকাবিলায় এবং হাঁচি নিরাময়েও সাহায্য করে।
ঈষদ-উষ্ণ জলে সামান্য গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে দিনে ২-৩ বার পান করুন, গার্গলও করতে পারেন।

৩) আদা-
নাকের সমস্যার সমাধানের জন্য আদা প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে।
ঘন ঘন হাঁচি দেওয়া থেকে মুক্তি পেতে আদাকুঁচি মুখে রাখুন।
এছাড়াও ১/২ চামচ আদার রস প্রতিদিন পান করুন ভাল ফল পাবেন।

৪) পিপারমেন্ট অয়েল-
পিপারমেন্ট অয়েলের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান হাঁচি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
সেইসঙ্গে নাকের বন্ধভাব থেকেও মুক্তি দিতে পারে।
এর জন্য ফুটন্ত জলের মধ্যে কয়েক ফোঁটা পিপারমেন্ট অয়েল মিশিয়ে নিন।
এবার মাথার ওপর একটা বড় তোয়ালে দিয়ে ঢেকে এই জলের ভেপার নিন। এতে করে খুব সহজেই নাক পরিষ্কার হয়ে যায়।

৫) ক্যামোমিল চা-
এক কাপ গরম চা সব সময় ঠান্ডা ও কফ এর সমস্যায় আরাম দিতে পারে।
১টি পাত্রে জল ফুটিয়ে নিন, এর মধ্যে কয়েকটি শুকনো ক্যামোমিল ফুল দিন।
এর কিছুক্ষণ পর মিশ্রণটি ছেঁকে নিন।
এর সাথে মধু মিশিয়ে গরম গরম পান করুন।
দিনে দু’বার এটি পান করলে অনবরত হাঁচির থেকে মুক্তি পাবেন।
রসুনের কোয়ার তীব্র ঘ্রান হাঁচির সমস্যা দূর করতে সাহায্য করতে পারে। চিকেন স্যুপের সাথেও রসুন ব্যবহার করতে পারেন।