যেকোনো সুস্থ সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো সমানাধিকার এবং পারস্পরিক সম্মান। কিন্তু অনেক সময় ভালোবাসার আড়ালে চাপা পড়ে যায় একজনের ব্যক্তিগত ইচ্ছে আর অন্যজনের সীমাহীন চাহিদা। আপনার সম্পর্কের সমীকরণ কি সত্যিই ঠিক আছে, নাকি আপনি অজান্তেই কোনো বিষাক্ত (Toxic) সম্পর্কের জালে জড়িয়ে পড়ছেন? মনোবিদদের মতে, চাহিদা ও ইচ্ছের ভারসাম্য বজায় না থাকলে দীর্ঘমেয়াদে সেই সম্পর্ক মানসিক অবসাদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি আদর্শ সম্পর্কের সমীকরণে দুইজনেরই মতামতের সমান গুরুত্ব থাকা উচিত। যদি দেখেন আপনার সঙ্গী সবসময় নিজের ইচ্ছেগুলো আপনার ওপর চাপিয়ে দিচ্ছেন এবং আপনার ছোট ছোট শখ বা ইচ্ছেগুলোকে তুচ্ছ করছেন, তবে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। সম্পর্কের ভারসাম্য পরীক্ষার জন্য দেখুন—আপনাদের মধ্যে কি গঠনমূলক আলোচনা হয়, নাকি সবশেষে একজনের জেদই জয়ী হয়? মনে রাখবেন, বিসর্জন সবসময় একতরফা হলে তা ভালোবাসা নয়, বরং দাসত্ব। সুস্থ সম্পর্কের জন্য নিজের ব্যক্তিত্ব হারাবেন না; আজই সঙ্গীর সাথে মন খুলে কথা বলুন এবং নিজের সীমানা (Boundaries) নির্ধারণ করুন।