শুধু রান্নার স্বাদ বাড়াতেই নয়; আরও নানা কাজেই ব্যবহার করতে পারেন লবণ। লবণের বিভিন্ন ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নিন-
ব্রণ কমাতে: এর ব্যাকটেরিয়া নাশক গুণ রয়েছে, তাই ব্রণসহ ত্বকের যে কোনো ধরনের র্যাশ কমাতে লবণ ব্যবহার করা যায়। লবণ ত্বক থেকে যাবতীয় ধুলোময়লা শুষে নেয় এবং সেবাম নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে এনে ত্বকের প্রাকৃতিক তেলের মাত্রায় ভারসাম্য বজায় রাখে। তাই এমন স্কিন ক্লিনজার ব্যবহার করুন যাতে লবণ রয়েছে। লবণযুক্ত টোনার ব্যবহার করলেও ফল পাবেন।
ডিমের সতেজতা পরীক্ষায়: ডিম ভালো আছে কি না বুঝতেও কাজে আসে লবণ। দু’ গ্লাস জল নিয়ে তাতে হাফ চা চামচ করে লবণ ভালোভাবে মেশাতে হবে। এবার একটা গ্লাসে তাজা ডিম আর অন্য গ্লাসে বাসি ডিম রাখলে দেখা যাবে তাজা ডিমটা ডুবে গেছে। আর বাসি ডিমটা ভেসে উঠেছে। এভাবেই যে ডিম খাওয়া হচ্ছে তা টাটকা কি না পরীক্ষা করে নেওয়া যায় অনায়াসে। এ ছাড়া ডিমের খোসা ছাড়াতে অনেক সময় অসুবিধে হয়। তাই সিদ্ধ করার সময় জলে এক চিমটি লবণ দিয়ে রাখলেই এই সমস্যায় ম্যাজিকের মতো কাজ করবে।
গলা ব্যথা, খুসখুসে কাশি: অনেক সময় ঠান্ডা লেগে গলা ব্যথা হয়। এর একটা চটজলদি সমাধান হল লবণ জলে গার্গল। এক গ্লাস জল হালকা গরম করে তাতে এক চামচ লবণ দিয়ে ভালো করে মেশাতে হবে। ওই মিশ্রণে এক চিমটে হলুদও দেওয়া যায়। এরপর অল্প উষ্ণ লবণ-জল এক চুমুক করে নিয়ে গার্গল করতে হবে। দিনে ২ থেকে ৩ বার করলে গলা ব্যথা, কাশি থেকে চটজলদি মুক্তি মেলে। মাড়ি এবং দাঁতের জন্যও লবণ জল গার্গল খুব উপকারী।
সিঙ্ক পরিষ্কার: শত চেষ্টার পরেও সিঙ্ক থেকে দাগ উঠতে চায় না। অনেক গৃহস্থকেই এই সমস্যার মুখে পড়তে হয়। এক বাটি গরম জলে দু’ চামচ লবণ মিশিয়ে তা সিঙ্কে ঢেলে দিতে হবে। লক্ষ্য রাখা দরকার, যাতে সিঙ্কের প্রতিটা অংশে যেন এই জল পড়ে। তারপর ১৫ মিনিট ছেড়ে রাখতে হবে। নিজে থেকেই সিঙ্কের সমস্ত ময়লা দাগ পরিষ্কার হয়ে যাবে।
পোকামাকড় আটকাতে: বাড়িতে পোকামাকড়ের উপদ্রব খুব সাধারণ একটি সমস্যা। এতে শুধু ঝামেলাই বাড়ায় না, নানা রোগও ছড়ায়। এর থেকে বাঁচতে ঘরে ঢোকার মুখে তিন-চার চামচ লবণ লম্বা লাইনের মতো ছড়িয়ে দিতে হবে। পোকামাকড়ের উপদ্রব থেকে সহজে মুক্তি মিলবে। মশা-মাছিও কমবে।bs